ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে রাখতে রোজায় কি পরিমাণ টকদই খাবেন
রমজানে ইফতার অথবা সেহরিতে টকদই অনেকেরই পছন্দের তালিকায়। হালকা কিংবা ভারী এ খাবারটি শুধু স্বাদের জন্য নয়, পুষ্টিগুণের কারণেও বেশ উপকারী। নিয়মিত পরিমিত পরিমাণে টকদই খেলে টাইপ-২ ডায়াবেটিসের ঝুঁকি কমাতে সহায়তা করতে পারে।
টকদইয়ে ক্যালসিয়াম, পটাসিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম, প্রোটিন এবং বিভিন্ন ভিটামিন থাকে, যা শরীরের পুষ্টি চাহিদা পূরণে ভূমিকা রাখে। নিয়মিত টকদই খেলে রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখা সহজ হতে পারে।
এক গবেষণায় বলা হয়েছে, নিয়মিত দই খাওয়ার অভ্যাস ডায়াবেটিসের ঝুঁকি কমাতে খুবই কার্যকর।
টকদই একটি ফার্মেন্টেড খাবার, যাতে প্রোবায়োটিক থাকে। দেখা গেছে, নিয়মিত দই খেলে রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে থাকে এবং ইনসুলিন রেজিস্ট্যান্স কমতে পারে। ফলে ইনসুলিন কার্যকরভাবে কাজ করতে পারে এবং রক্তে শর্করার মাত্রা অস্বাভাবিকভাবে বাড়ে না।
দইয়ের উপকারিতা: টকদইয়ের গ্লাইসেমিক ইনডেক্স কম হওয়ায় এটি ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য উপযোগী। কম জিআই খাবার ধীরে ধীরে রক্তে গ্লুকোজ ছাড়ে, ফলে হঠাৎ সুগার বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কা কম থাকে। এতে থাকা প্রোটিন দীর্ঘ সময় পেট ভরা রাখতে সাহায্য করে, ফলে অতিরিক্ত খাবার খাওয়ার প্রবণতা কমে। ক্যালসিয়াম ও প্রয়োজনীয় ভিটামিন শরীরকে সুস্থ রাখতেও সাহায্য করে।
কতটা টকদই খাবেন দিনে: প্রতিদিন প্রায় ১০০ থেকে ২০০ গ্রাম বা এক কাপের মতো টকদই খাওয়া যেতে পারে। এটি রক্তে শর্করা নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাহায্য করে। তবে বেশি মিষ্টি বা ফ্লেভারযুক্ত দই এড়িয়ে চলা ভালো।
নিয়মিত ও স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাসের অংশ হিসেবে টকদই ডায়াবেটিসের ঝুঁকি কমাতে সহায়ক হতে পারে। ছোট একটি খাদ্যাভ্যাসই বড় উপকার এনে দিতে পারে।



আপনার মতামত লিখুন
Warning: Array to string conversion in /www/wwwroot/ctvusa.tv/wp-content/plugins/gs-facebook-comments/public/class-wpfc-public.php on line 311
Array