খুঁজুন
বুধবার, ১ এপ্রিল ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ১৮ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
লোড হচ্ছে...
নিউজ লোড হচ্ছে...
শিরোনাম:
আতিকুর রহমান ও বেদারুল ইসলাম বাবলা ফোবানার বোর্ড অফ ডিরেক্টর নির্বাচিতseparatorবাংলাদেশ এসোসিয়েশন অব ফ্লোরিডার ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠিতseparatorনাগরিকত্ব আইন সহজ করল কানাডা, সুবিধা পাবেন যারাseparatorমর্মান্তিকseparatorচলমান প্রেক্ষাপটেও নিরাপদ ও সহজে বাংলাদেশ ভ্রমণের সুযোগ রয়েছে : শামসুদ্দীন বশিরseparatorশহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে কিশোরগঞ্জ ডিস্ট্রিক্ট এসোসিয়েশনের স্বাধীনতা দিবস পালনseparatorনতুন সাজে চালু হলো জ্যামাইকার ঘরোয়া রেষ্টুরেন্টseparatorপিলখানা হত্যাকাণ্ডের নেপথ্য কারণ এখন বোধগম্য : প্রধানমন্ত্রীseparatorপ্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপে অপহরণের এক ঘণ্টার মধ্যে স্কুলছাত্র উদ্ধারseparatorপাকিস্তানে ভালোবেসে ২২ বছরের তরুণীকে ৭০ বছরের বৃদ্ধের বিয়েseparatorবিয়ে করলেন নারী দলের ক্রিকেটার সুপ্তাseparatorলাগেজে মদের বোতলের খবর অস্বীকার করে মেহজাবীন চৌধুরীর স্ট্যাটাসseparator‘গ্যাংস্টার’ লুকে কলকাতায় শাকিব খান, শুটিংয়ের ছবি প্রকাশ্যেseparatorছবি-ভিডিও এআই দিয়ে তৈরি কি না, জানবেন যেভাবেseparatorইতালিতে সড়ক দুর্ঘটনায় আহত যুবকের মৃত্যুseparatorডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে রাখতে রোজায় কি পরিমাণ টকদই খাবেনseparatorতানিয়া বৃষ্টির মাথায় অস্ত্রোপচার, সবার কাছে দোয়া প্রার্থনাseparatorবিএনপি’র নিরঙ্কুস জয়ে যুক্তরাষ্ট্র বিএনপি’র নেতা-কর্মীদের আনন্দ মিছিলseparatorবাংলাদেশে ভালোবাসা দিবস এলো যেভাবেseparatorপ্রকাশ্যে চিত্রনায়িকা বুবলীর বেবিবাম্প, আবারও বাবা হচ্ছেন শাকিব খান!separatorকলম্বোয় ভারত-পাকিস্তান জ্বর: হোটেলের কক্ষ নেই, আকাশ ছুঁয়েছে ফ্লাইটের ভাড়াseparatorবিএনপি জয়ী হওয়ায় আশায় বুক বাঁধছেন কলকাতার ব্যবসায়ীরাseparatorবিভাজন নয়, জাতীয় ঐক্যই আমাদের শক্তিseparator১১ দলীয় জোটের বিক্ষোভের ডাকseparatorঅ্যাপ ব্যবহার না করলেও আপনার তথ্য সংগ্রহ করছে টিকটক, থামানোর উপায়separator‘আমাকে যারা বোরকা কিনতে বলেছিল, তাদের জন্যই এই ছবি’separatorবিশ্বকাপে অস্ট্রেলিয়াকে হারিয়ে জিম্বাবুয়ের চমকseparatorতারেক রহমানের মন্ত্রিসভায় আলোচনায় যারাseparatorমধ্যপ্রাচ্যে আরেকটি শক্তিশালী রণতরি পাঠাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রseparator২৯৭ আসনের আনুষ্ঠানিক ফল ঘোষণা, কোন দল কত পেলseparatorগণভোটে ‘হ্যাঁ’ জয়ী, ভোট পড়ল ৬০.২৬ শতাংশseparatorনিউইয়র্কে দুই দিনব্যাপী ৪র্থ ইউএসবিসিসিআই বিজনেস এক্সপো ও গ্লোবাল এসএমই ফেয়ার ২০২৫ সম্পন্নseparatorফিলাডেলফিয়ায় লোক উৎসব ২০২৫: প্রবাসে বাংলার লোকঐতিহ্যের রঙে এক মনোমুগ্ধকর সন্ধ্যাseparatorরাশিয়াকে ভূখণ্ড ছেড়ে দেয়ার বিষয়টিই মার্কিন শান্তি পরিকল্পনার প্রধান সমস্যাseparatorদেশবাসীর কাছে দোয়া চাইলেন বেগম খালেদা জিয়াseparatorবলিউডের কিংবদন্তি অভিনেতা ধর্মেন্দ্র মারা গেছেনseparatorসুপার ওভারে বাংলাদেশের স্বপ্নভঙ্গ, রেকর্ড তৃতীয়বার চ্যাম্পিয়ন পাকিস্তানseparatorইন্দোনেশিয়ায় জেগে উঠল ভয়ংকর আগ্নেয়গিরি, সর্বোচ্চ সতর্কতা জারিseparatorযেভাবে স্বামী-স্ত্রীর সম্পর্কে সন্দেহ দূরে রাখবেনseparatorএনসিপির মনোনয়ন কিনলেন সেই রিকশাচালক, যে আসন থেকে লড়বেনseparatorএক্সপ্রেসওয়ের রেলিং ভেঙে নিচে পড়লো প্রাইভেটকার, নিহত ১separatorলিটন ও মুশফিকের জোড়া সেঞ্চুরিতে চারশ রানের পথে বাংলাদেশseparatorটরন্টোতে শিরীন চৌধুরীর একক সঙ্গীত সন্ধ্যাseparatorবিশ্বজুড়ে বহু ওয়েবসাইট হঠাৎ অচল!separatorদীর্ঘ ২২ বছর পর ভারতকে হারিয়ে ইতিহাস রচনা করলো বাংলাদেশseparatorআ.লীগ নির্বাচনে অংশ নিতে পারবে না, নেদারল্যান্ডসের উপমন্ত্রীকে জানালেন প্রধান ‍উপদেষ্টাseparator১০ বছরে ইউক্রেনকে ১০০টিরও বেশি রাফাল যুদ্ধবিমান দেবে ফ্রান্সseparatorশেখ হাসিনা-কামালকে ফেরাতে ভারতের কাছে পাঠানোর চিঠি প্রস্তুত হচ্ছেseparatorধানমন্ডি ৩২ নম্বরে বুলডোজার নিয়ে যাওয়াদের ‘রাজাকার বাহিনী’ আখ্যা দিলেন শাওনseparatorমানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় শেখ হাসিনার মৃত্যুদণ্ডseparatorঅভিনেত্রী মেহজাবীন চৌধুরীর বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারিseparatorশেখ হাসিনার রায়ে স্বচ্ছতা ও পূর্ণ ন্যায়বিচারের দাবি জানালেন মির্জা ফখরুলseparatorঅনিবন্ধিত মোবাইল ফোন ব্যবহারকারীদের জন্য সুখবর দিলো বিটিআরসিseparatorরাজধানীর বাংলামোটরে এনসিপির কার্যালয়ের সামনে ককটেল বিস্ফোরণseparatorওপেনএআইয়ের বিরুদ্ধে ৭ পরিবারের মামলাseparatorকমনওয়েলথ দাবা চ্যাম্পিয়নশিপের অষ্টম রাউন্ড শেষে তৃতীয় স্থানে মুগ্ধseparatorঅমিতাভ রেজার নতুন যাত্রায় সঙ্গী হচ্ছেন চিত্রনাট্যকার মুশফিকা মাসুদseparatorনতুন পোশাকে নেমেছে পুলিশseparatorরাজধানীর ৩ স্থানে ককটেল বিস্ফোরণ, মোটরসাইকেলে আগুনseparatorভারত নিয়ন্ত্রিত জম্মু-কাশ্মিরে থানায় বিস্ফোরণ, নিহত ৯separatorরাজধানীতেও শীতের আমেজseparatorঅনুমতি মেলেনি, স্থগিত জেমস ও আলী আজমতের কনসার্টseparatorবর্ণাঢ্য আয়োজনে নবাবগঞ্জ উপজেলা এসোসিয়েশনের নতুন কর্মকর্তারা অভিষিক্তseparatorনিউইয়র্ক বাংলাদেশ প্রেসক্লাবের নির্বাচনে মনোয়ার-মমিন পুনর্নিবাচিতseparatorবর্ণাঢ্য আয়োজনে বাংলাদেশ সোসাইটি’র সুবর্ণ জয়ন্তী উদযাপনseparatorস্বপ্নগ্রাম লেক প্লাসিডseparatorবিপুল উৎসাহ-উদ্দীপনায় নর্থ বেঙ্গল ফাউন্ডেশনের বার্ষিক বনভোজন অনুষ্ঠিতseparatorট্রু ইকুইটি নাউ’র ভোটার রেজিষ্ট্রেশন কার্যক্রম অব্যাহতseparatorবাংলাদেশ সোসাইটির সাবেক কর্মকর্তাদের মিলনমেলা অনুষ্ঠিতseparatorজুলাই সনদে প্রবাসীদের অবদান উল্লেখ থাকবে: উপদেষ্টা মাহফুজseparatorনিউ ইয়র্কে পর্যটকবাহী বাস দুর্ঘটনায় নিহত ৫separatorবাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্ক জোরদারে ঢাকায় পাকিস্তানের পররাষ্ট্রমন্ত্রীseparatorআর সিনেমার গান করবেন না প্রিন্স মাহমুদseparatorনিউইয়র্ক সিটির সুপ্রীম কোর্ট জাস্টিস পদে সোমা সাঈদ প্রার্থীseparatorবাংলাদেশ সিরিজের দল ঘোষণা করল নেদারল্যান্ডসseparatorনিউইয়র্কে নিহত পুলিশ কর্মকর্তা দিদারুলের স্ত্রী তৃতীয় পুত্র সন্তানের মা হলেনseparatorআমেরিকা-বিরোধী মনোভাব থাকলে মিলবে না ভিসাseparatorভারতের মাটিতে বাংলাদেশবিরোধী কর্মকাণ্ডের কোনো তথ্য নেই: রণধীর জয়সওয়ালseparatorএবার শাকিব খানের নায়িকা তানজিন তিশাseparatorসহায়তার জন্য ব্রিটিশ চিকিৎসকদলের প্রতি প্রধান উপদেষ্টার কৃতজ্ঞতাseparatorইতিহাস গড়ে বর্ষসেরা সালাহseparatorঢাকার বাইরে মব চলছে, কমাতে কাজ করছে সরকার : স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টাseparatorনিউইয়র্কে সিনিয়র সিটিজেন ফোরাম অব বাংলাদেশী কমিউনিটি কমিটি ইনক্ এর বার্ষিক বনভোজন অনুষ্ঠিতseparator১ ও ২ অক্টোবর নিউইয়র্কের টাইমস স্কয়ারে প্রথমবারের মতো তিথি অনুসারে দুর্গাপূজার আয়োজনseparator‘ওয়াশিংটনের সবচেয়ে কুখ্যাত অপরাধী!’ ট্রাম্পকে নিয়ে বেফাঁস মন্তব্য করে বিপাকে মাস্কের ‘গ্রোক’separatorনতুন রঙে পাবেন আইফোন ১৭ প্রোseparatorরাতে ঘুম না আসার পেছনে আপনার যে ৫ ভুলseparatorমাইগ্রেনের ব্যথা থেকে মুক্তি মিলবে স্মুদিতেseparatorসিলেটের ডিসি হলেন ‘আলোচিত’ ম্যাজিস্ট্রেট সারোয়ার আলমseparatorএশিয়া কাপ খেলতে ভারতে যাচ্ছে বাংলাদেশ হকি দলseparatorবড় ব্যবধানে হারের পর নেইমার বললেন ‘আমি লজ্জিত’separatorনায়িকাদের জীবনের বাস্তবতা নিয়ে পর্দায় আসছেন রুনা খানseparatorপাকিস্তানে বৃষ্টি ও বন্যায় প্রাণহানির সংখ্যা ৬৫০ ছাড়ালseparatorযুদ্ধবিরতি প্রস্তাবে সম্মত হামাসseparatorইসরায়েলের তেল শোধনাগারে ইরানের হামলায় প্রাণ যায় ৩ জনেরseparatorকুয়েতে মদ্যপানে ২৩ জনের মৃত্যু, বাংলাদেশিসহ গ্রেপ্তার ৬৭separatorডাকসুতে ২৮ পদে ৫৬৫ ফরম বিক্রি, হল সংসদে ১২২৬টিseparatorনিউইয়র্ক সিটিতে ‘ট্রু ইকুইটি নাউ’র ভোটার নিবন্ধন অভিযান শুরুseparatorকবে-কোথায় বিয়ে করবেন রোনালদো-জর্জিনা?separatorকে দিয়েছে আপনাকে মানুষের পছন্দ নিয়ন্ত্রণ করার অধিকার?

আতিকুর রহমান ও বেদারুল ইসলাম বাবলা ফোবানার বোর্ড অফ ডিরেক্টর নির্বাচিত

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ১ এপ্রিল, ২০২৬, ১:১৫ পূর্বাহ্ণ
আতিকুর রহমান ও বেদারুল ইসলাম বাবলা ফোবানার বোর্ড অফ ডিরেক্টর নির্বাচিত

ফ্লোরিডা: ফেডারেশন অফ বাংলাদেশী এসোসিয়েশন অফ নর্থ আমেরিকা-ফোবানা’র কার্যনির্বাহী কমিটির এক গুরুত্বপূর্ণ সভা গত ২৯ মার্চ রোববার অনুষ্ঠিত হয়। সভায় ফোবানার চেয়ারম্যান জাহিদ হোসেন সভাপতিত্ব করেন এবং এক্সিকিউটিভ সেক্রেটারী নিহাল রহিম সভাটি পরিচালনা করেন। অধিকাংশ নির্বাহী কমিটির সদস্যরা সভায় উপস্থিত ছিলেন এবং সভায় বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।
সভার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত মোতাবেক ফোবানার সাবেক চেয়ারম্যান আতিকুর রহমান এবং সাবেক চেয়ারম্যান বেদারুল ইসলাম বাবলা বোর্ড অফ ডিরেক্টর হিসেবে নির্বাচিত হন।
কার্যনির্বাহী কমিটির সভায় ৪০তম ফোবানা’র হোস্ট কমিটির কনভেনার আনোয়ার হোসেন সেন্টু, এবং চিফ কো-অর্ডিনেটর নাজিম উল্লাহ লিটন কনভেনশনের বিস্তারিত পরিকল্পনা এবং আগামী ৩ এপ্রিল, হলিডে ইন রিসোর্ট, কিসিমি ফ্লোরিডায়, সন্ধ্যা ৭টায় ৪০তম ফোবানা’র কিক-অফ মিটিংয়ের ঘোষণা দেন। সকল প্রবাসীকে ফোবানার কিক-অফে অংশগ্রহণের জন্য আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে এবং ৪, ৫, ৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬ লেবার ডে উইকেন্ডে কনভেনশনের সার্বিক প্রস্তুতির পরিকল্পনাও উপস্থাপন করেন।
আগামী ৪০তম ফোবানা কনভেনশন ফ্লোরিডার অরল্যান্ডোতে অনুষ্ঠিত হবে। এবছর ফোবানার আয়োজক সংগঠন বাংলাদেশ সমিতি অব সেন্ট্রাল ফ্লোরিডা। এতে সহকারী আয়োজক সংগঠন হিসেবে থাকছে বাংলাদেশ সোসাইটি অব সেন্ট্রাল ফ্লোরিডা, ওয়ার্ল্ড ফেয়ার অ্যান্ড ফেস্ট ইউএসএ ইনক এবং সেন্ট্রাল ফ্লোরিডা স্পোর্টস ক্লাব ইনক।
সভায় গৃহীত অন্যান্য সিদ্ধান্তের মধ্যে ফোবানা’র বিভিন্ন স্ট্যান্ডিং কমিটি গঠন, সদস্য সংগ্রহ অভিযান এবং অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ এজেন্ডাভিক্তিক বিস্তারিত আলোচনা হয়। যা সকল সদস্যের আলোচনা সাপেক্ষে অনুমোদিত হয়। -প্রেস বিজ্ঞপ্তি।

বাংলাদেশ এসোসিয়েশন অব ফ্লোরিডার ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠিত

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ১ এপ্রিল, ২০২৬, ১:০৩ পূর্বাহ্ণ
বাংলাদেশ এসোসিয়েশন অব ফ্লোরিডার ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠিত

ফ্লোরিডা: বর্ণাঢ্য আয়োজনের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশ এসোসিয়েশন অব ফ্লোরিডার ঈদ পুনর্মিলনী-২০২৬ অনুষ্ঠিত হয়েছে। গত রোববার (২৯ মার্চ) দুপুরে ফ্লোরিডার বেলে গ্লেইঠ শহরের এক মিলনায়তনে এই জাঁকজমকপূর্ণ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠিত হয়। ১৯৯৬ সাল থেকে সংগঠনটি নিয়মিত এই পূনর্মিলনী আয়োজন করে আসছে।
সম্প্রীতি আর সৌহাদ্রপূর্ণ পরিবেশে এবং বর্ণিল আয়োজনের এই পূনর্মিলনীর সূত্রপাত ঘটে সকল ধর্মীয় বিশ্বের অমেয় বানী পাঠের মধ্য দিয়ে। অনুষ্ঠানটি উপস্থাপনা করেন এসোসিয়েশনের সভাপতি এবিএম গোলাম মোস্তফা। অনুষ্ঠানের শুরুতে শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন এসোসিয়েশনের সেক্রেটারী রফিকুল ইসলাম। অনুষ্ঠানের সার্বিক তত্ত্বাবধানে ছিলেন এসোসিয়েশনের সহ-সভাপতি মোহাম্মদ শাহেদ। একটি মনোজ্ঞ সংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে এই ঈদ পুনর্মিলনীতে। সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে যারা অংশগ্রহণ করেন তারা হলেন- লাভলু, বাবু, রুশো, শিশুশিল্পী প্রিদীব, দুলাল প্রমুখ। শিল্পীদের মনমাতানো সঙ্গীতে ঈদের আনন্দে মাতোয়ারা হয় সবাই।
এই আনন্দকে আর একটু প্রাণবন্ত করে তোলে ছোটবেলার ঈদের স্মৃতিচারণ বিষয়ে গাল-গল্পে। এই পর্বে অংশ গ্রহন করেন এসোসিয়েশনের সিনিয়র ডাইরেক্টর মোহাম্মদ হারুন, সাংগঠনিক সম্পাদক আওয়াল দয়ান, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক রেজা ইসলাম, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ খোরশেদ, নির্বাহী পরিচালক অসীম রয়, নির্বাহী পরিচালক বুলবুল প্রমুখ। অনুষ্ঠানের সামগ্রিক সাজসজ্জা ছিলেন নির্বাহী পরিচালক টিটু এবং নির্বাহী পরিচালক তানভীর। শব্দ নিয়ন্ত্রণে ছিলেন তানভীর ও বাবু। এই আয়োজনে বিশেষ অবদান রাখেন এসোসিয়েশনের সিনিয়র এডভাইজার আবদুল ওয়াহেদ মাহফুজ ও নাজমুন মাহফুজ।
আলোচনা পর্বে অংশগ্রহণ করেন ৩১ তম এশিয়ান খাদ্য মেলা ও সাংস্কৃতিক শো-২০২৬ এর নবনির্বাচিত কনভেনার আওয়ালে দয়ান, চেয়ারম্যান নাঈম খান দাউদ, সেক্রেটারী এম কে আলম, ঢাকা ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক পবন, একতারা ফ্লাইডার সিইও ইমরান জনি, সভাপতি রুবাইয়া মামুন, বাংলাদেশ ক্লাবের সভাপতি লিটন মজুমদার, মায়ামী বৈশাখী মেলার প্রধান উপদেষ্টা জামান, ডক্টর সালাউদ্দিন, ফোবানার চেয়ারম্যান আতিকুর রহমান, বাংলাদেশ এসোসিয়নের প্রতিষ্ঠাতা সদস্য জুনায়েদ আক্তার, বিশিষ্ট রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব মঞ্জুর শাহীন, ফ্লোরিডার বিশিষ্ট ব্যক্তিত্ব শাহীন মাহমুদ, আলিনুর মঞ্জু, শাহেদ নুর আজাদ প্রমুখ।
ব্যক্তিগত ঈদ স্মৃতিচারনের পাশাপাশি আলোচকরা বলেন বাংলাদেশের মত এখানে হয়তো ঈদ আনন্দ করা হয় না। তবে এখানেও ঈদের নামাজ আদায়ের পর সবাই একে অপরের বাড়িতে যায়, শুভেচ্ছা বিনিময় করে, সবাই খুব মিস করে শৈশবের সেই ঈদের আনন্দ। বলেন সে দিনের আনন্দ আর কখনই ফিরে পাওয়া যাবে না। এদিকে বাংলাদেশ থেকে সরাসরি যুক্ত হয়েছিলেন এসোসিয়েশনের প্রাক্তন সভাপতি প্রতিষ্ঠাতা সদস্য মোহাম্মদ ইমরান। তিনি সংক্ষিপ্ত শুভেচ্ছা বক্তব্য পেশ করেন।
মধ্যাহ্নভোজের পর মঞ্চে বিভিন্ন সামাজিক সংগঠনের কর্মকর্তাদের সম্মান জানানো হয়। উল্লেখযোগ্য সংগঠনের মধ্যে ছিল একতারা ফ্লোরিডা, বাংলাদেশ ক্লাব, মায়ামী বৈশাখী মেলা, কারিগর, ঢাকা ক্লাব। এই সময় মঞ্চে উপস্থিত ছিলেন ফ্লোরিডার জনপ্রিয় ব্যক্তিত্ব নাঈম খান দাদন ও একতারা ফ্লোরিডার সভাপতি রুবাইয়া মামুন।
এরপর মঞ্চে আগামী ৩১ তম এশিয়ান খাদ্য মেলাও সাংস্কৃতিক শোর কনভেনার আওয়ালে দয়ান, চেয়ারম্যান আবু নাঈম দাউদ ও সেক্রেটারি এম কে আলম-কে পরিচয় করিয়ে দেয়া হয়।
সমাপনী বক্তব্য রাখেন এসোসিয়েশনের সভাপতি এবিএম মোস্তফা বলেন, গতানুগতিকতার বাইরে বেরিয়ে দেশে এবং আমেরিকার মুলধারায় সমাজের অসহায় মানুষের কল্যাণে কাজ করে যাচ্ছে বাংলাদেশ এসোসিয়েশন। তিনি এসোসিয়েশনের কার্যক্রম এগিয়ে নেয়ার ক্ষেত্রে সংগঠনের বোর্ড কর্মকর্তা, উপদেষ্ঠাবৃন্দ সহ সকল সব সদস্য এবং শুভাকাঙ্খীদের ঐকান্তিক সহযোগিতার জন্য আন্তরিক ধন্যবাদ জানান।
এরপর মঞ্চে আসেন অনুষ্ঠানের মূল ব্যক্তিত্ব ফ্লোরিডার জননন্দিত দম্পতি মাহফুজ ও নাজমুন মাহফুজ। তারা উপস্থিত সবাইকে ধন্যবাদ জানিয়ে অনুষ্ঠানের পরিসমাপ্তি টানেন।
এই আয়োজনে যারা সর্বাত্মক সহযোগিতা করেছেন তারা হলেন- যথাক্রমে এসোসিয়েশনের নির্বাহী পরিচালক হাবিব, উত্তম, হাকিম, রাশেদ, মোরশেদ, জিতু, সোহেল, কামাল, ফয়সাল, টিটু, নাসের, লেবু, মোস্তাফিজ প্রমুখ। -প্রেস বিজ্ঞপ্তি।

নাগরিকত্ব আইন সহজ করল কানাডা, সুবিধা পাবেন যারা

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৩১ মার্চ, ২০২৬, ১১:৩৫ অপরাহ্ণ
নাগরিকত্ব আইন সহজ করল কানাডা, সুবিধা পাবেন যারা

কানাডার নাগরিকত্ব আইনে এক যুগান্তকারী পরিবর্তনের ফলে এখন কয়েক মিলিয়ন আমেরিকান নাগরিকের সামনে খুলে গেছে কানাডীয় পাসপোর্ট পাওয়ার সুযোগ। কানাডা তার বংশানুক্রমিক নাগরিকত্ব আইনে বড় ধরনের সংস্কারের পথে অগ্রসর হচ্ছে। নাগরিকত্ব আইন সংশোধনের জন্য আনা বিল সি-৩ সম্প্রতি রাজকীয় অনুমোদন পেয়েছে যা বাস্তবায়নের দিকে একটি গুরুত্বপূর্ণ ধাপ। ‘সেকেন্ড-জেনারেশন কাট-অফ’ নামে পরিচিত যে সীমাবদ্ধ বিধান বহু কানাডীয় নাগরিকের বিদেশে জন্ম নেওয়া সন্তানদের নাগরিকত্ব প্রদানকে বাধা দিত, সেই নিয়ম বাতিল করতে সরকার একটি নতুন আইন আনছে। বিল সি-৩ সিটিজেনশিপ অ্যাক্ট (২০২৫) সংশোধন আইন গত সপ্তাহে রয়্যাল অ্যাসেন্ট পেয়েছে।
মূলত ‘বিল সি-৩’ পাসের মাধ্যমে দীর্ঘদিনের ‘প্রজন্মগত সীমাবদ্ধতা’ বাতিল করায় এই পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে, যা ডোনাল্ড ট্রাম্পের দ্বিতীয় মেয়াদে অভিবাসন ও রাজনৈতিক অস্থিরতা নিয়ে শঙ্কিত আমেরিকানদের জন্য এক নতুন আশার আলো হয়ে দাঁড়িয়েছে।
কানাডা সরকার এক বিবৃতিতে বলেছে, এই পদক্ষেপ সিটিজেনশিপ অ্যাক্টকে আরো অন্তর্ভুক্তিমূলক করার পথে একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক। একই সঙ্গে কানাডীয় নাগরিকত্বের মান অক্ষুণ্ন রাখছে। এখন থেকে পুরোনো নিয়মে বাদ পড়া কানাডীয়রা তাদের বিদেশে জন্ম নেওয়া বা দত্তক নেওয়া সন্তানদের কাছে নাগরিকত্ব পৌঁছে দেওয়ার ন্যায্য ও সুস্পষ্ট উপায় পাবে।
কানাডার ইমিগ্রেশন, রিফিউজি ও সিটিজেনশিপ মন্ত্রী লিনা মেটলেজ ডিয়াব বলেন, ‘বিল সি-৩ আমাদের নাগরিকত্ব আইনে দীর্ঘদিনের সমস্যাগুলো সমাধান করবে এবং বিদেশে জন্মানো বা দত্তক নেওয়া সন্তানসহ পরিবারগুলোর জন্য ন্যায্যতা ফিরিয়ে আনবে। এটি আগের আইনে বাদ পড়া মানুষদের নাগরিকত্ব দেবে এবং ভবিষ্যতের জন্য আধুনিক পরিবার কাঠামোর সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ সুস্পষ্ট নিয়ম স্থাপন করবে। এসব পরিবর্তন কানাডীয় নাগরিকত্বকে আরো শক্তিশালী ও সুরক্ষিত করবে।
কী আছে নতুন আইনে?
২০০৯ সাল থেকে কার্যকর থাকা ‘ফার্স্ট জেনারেশন লিমিট’ বা প্রথম প্রজন্মের সীমাবদ্ধতা অনুসারে, বিদেশে জন্ম নেওয়া কানাডীয়দের সন্তানদের জন্য নাগরিকত্ব পাওয়া প্রায় অসম্ভব ছিল। কিন্তু ২০২৩ সালে অন্টারিও সুপিরিয়র কোর্ট এই আইনকে অসাংবিধানিক ঘোষণা করার পর সরকার নতুন বিল পাস করে।
কারা কানাডীয় নাগরিকত্ব পাওয়ার যোগ্য হবেন
নতুন আইন কার্যকর হওয়ার পর, যারা আইনের প্রবর্তনের আগের জন্ম এবং যাদের পুরোনো প্রথম-প্রজন্ম সীমা বা অতীতের অন্য পুরোনো বিধান না থাকলে নাগরিকত্ব পাওয়া সম্ভব ছিল Í তারা কানাডীয় নাগরিকত্ব পাবেন। এ ছাড়া বিদেশে জন্মানো বা দত্তক নেওয়া কোনো কানাডীয় অভিভাবক তার বিদেশে জন্মানো বা দত্তক নেওয়া সন্তানকে নাগরিকত্ব দিতে পারবেন, যদি তিনি কানাডার সঙ্গে যথেষ্ট দৃশ্যমান সম্পর্ক দেখাতে পারেন এবং এই সন্তান আইন কার্যকর হওয়ার তারিখে বা এর পর জন্মায় বা দত্তক হয়।
সরকার বলেছে, এই পদ্ধতি পরিবারগুলোর জন্য ন্যায্যতা নিশ্চিত করে এবং একই সঙ্গে এই নীতি জোরালো করে যে বংশানুক্রমিক নাগরিকত্বের ভিত্তি হওয়া উচিত কানাডার সঙ্গে প্রকৃত ও প্রমাণযোগ্য সম্পর্ক।
নতুন নিয়ম অনুযায়ী:
২০২৫ সালের ১৫ ডিসেম্বরের আগে বিদেশে জন্মগ্রহণকারী যে কেউ যদি তার কানাডীয় পূর্বপুরুষের প্রমাণ দিতে পারেন, তবে তিনি নাগরিকত্বের যোগ্য হবেন। এক্ষেত্রে পূর্বপুরুষ কত প্রজন্ম আগের, তা আর বাধা হয়ে দাঁড়াবে না। তবে ১৫ ডিসেম্বর ২০২৫-এর পরে জন্ম নেওয়া শিশুদের ক্ষেত্রে, তাদের অভিভাবকদের কানাডায় অন্তত তিন বছর বসবাসের প্রমাণ দিতে হবে। গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, কানাডায় বসবাস না করলে নাগরিকত্ব পেলেও আমেরিকানদের বাড়তি কোনো কর (ট্যাক্স) দিতে হবে না। কানাডা কেবল তার বাসিন্দাদের ওপর কর আরোপ করে, পাসপোর্টধারীদের ওপর নয়।
কবে আইন কার্যকর হবে
তবে আইনটি এখনো কার্যকর হয়নি। ফেডারেল সরকারকে এখন কার্যকর হওয়ার তারিখ ঠিক করতে হবে। তবুও রাজকীয় অনুমোদনের ফলে এটি স্পষ্ট যে অটোয়া এ বিষয়ে দ্রুত পদক্ষেপ নিতে চায়। বিলটি বহুদিন ধরে কানাডায় চলে আসা ‘দ্বিতীয় প্রজন্মের কাট-অফ’ সমস্যার সমাধান করতে চলেছে। বর্তমান নিয়ম অনুযায়ী, বিদেশে জন্ম নেওয়া কোনো কানাডিয়ান নাগরিক যদি তার সন্তানকেও বিদেশে জন্ম দেন, তবে সেই সন্তানের স্বয়ংক্রিয়ভাবে কানাডার নাগরিকত্ব পাওয়ার অধিকার থাকে না। এই নিয়মের কারণে তৈরি হয়েছে তথাকথিত ‘হারিয়ে যাওয়া কানাডিয়ানদের’ একটি দল- যাদের ধারণা ছিল তারা নাগরিকত্ব পাওয়ার যোগ্য, কিন্তু পুরনো আইন তাদের সেই অধিকার থেকে বঞ্চিত করেছে।
সরকার জানিয়েছে, বিলটি কার্যকর হবে অর্ডার-ইন-কাউন্সিলের মাধ্যমে নির্ধারিত একটি তারিখে, যা পরে প্রকাশ্যভাবে জানানো হবে। ততদিন পর্যন্ত প্রথম-প্রজন্ম সীমার প্রভাবে থাকা ব্যক্তিদের জন্য অন্তর্বরতী ব্যবস্থা বহাল থাকবে।
কেন ঝুঁকছেন আমেরিকানরা?
নিউইয়র্কের বাসিন্দা এবং ডেমোক্র্যাট অ্যাক্টিভিস্ট এলেন রবিলাড এই পরিবর্তনের এক উজ্জ্বল উদাহরণ। ২০১৬ সালে ট্রাম্পের প্রথম জয়ের পর থেকেই তিনি কানাডায় চলে যাওয়ার কথা ভাবছিলেন। তার মা নোভা স্কটিয়ায় জন্মালেও আইনি জটিলতায় তার ১৯ বছর বয়সী ছেলে এতদিন নাগরিকত্বের অযোগ্য ছিল।
রবিলাড জানান, যুক্তরাষ্ট্রের বর্তমান রাজনৈতিক মেরুকরণ, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে পাওয়া হুমকি এবং ক্রমবর্ধমান সহিংসতা তাকে মানসিকভাবে বিপর্যস্ত করে তুলেছে। তিনি বলেন, ‘নোভা স্কটিয়ার শান্ত জীবন এবং মানুষের ইতিবাচক আচরণ আমাকে মুগ্ধ করেছে। পরিস্থিতি আরও খারাপ হলে আমি সরাসরি গাড়ি চালিয়ে কানাডায় চলে যাওয়ার বিকল্প পথটি হাতে রাখতে চাই।’
যোগ্যতা ও আবেদন প্রক্রিয়া
পরিসংখ্যান অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্রের নিউ ইংল্যান্ড অঞ্চলেই প্রায় তিন মিলিয়ন যোগ্য আমেরিকান রয়েছেন যাদের পূর্বপুরুষরা ১৮৭০ থেকে ১৯৩০ সালের মধ্যে কানাডা থেকে দক্ষিণে চলে এসেছিলেন।
আবেদন করার জন্য প্রয়োজনীয় নথি:
১. পূর্বপুরুষের জন্ম সনদ বা বাপ্তিস্মের রেকর্ড।
২. বংশপরিচয়ের সঠিক প্রমাণাদি।
৩. বর্তমানে আবেদনের প্রক্রিয়াকরণে সময় লাগছে প্রায় ১১ মাস।
রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট
যুক্তরাষ্ট্রের সাম্প্রতিক ট্রাম্প বিরোধী ‘নো কিংস’ বিক্ষোভ, সরকারি অচলাবস্থা এবং কঠোর অভিবাসন নীতির প্রেক্ষাপটে অনেক আমেরিকানই এখন একটি ‘প্ল্যান-বি’ বা দ্বিতীয় বিকল্প খুঁজছেন। কানাডার এই উদার নাগরিকত্ব নীতি তাদের সেই সুযোগটিই করে দিচ্ছে।
পুরোনো আইনটি কী ছিল
দেশটির অভিবাসন সংস্থা ইমিগ্রেশন, রিফিউজি অ্যান্ড সিটিজেনশিপ কানাডা (আইআরসিসি) জানায় যে বংশগত নাগরিকত্বের ‘প্রথম প্রজন্ম সীমা’ ২০০৯ সালে চালু করা হয়েছিল। যার অর্থ, যদি কোনো শিশু কানাডার বাইরে জন্ম নেয় বা দত্তক নেওয়া হয়, এবং তার কানাডিয়ান বাবা-মাও যদি বিদেশে জন্ম নেওয়া বা দত্তক নেওয়া হন, তাহলে সেই শিশু বংশগতভাবে কানাডিয়ান নাগরিক হিসেবে গণ্য হবে না। এই সীমা অনুযায়ী, কোনো শিশু যদি কানাডার বাইরে জন্মায় বা দত্তক হয়, তবে সে নাগরিকত্ব পাবে না যদি তার কানাডীয় অভিভাবকও কানাডার বাইরে জন্মে বা দত্তক নেওয়া হয়ে থাকেন। এই সীমাবদ্ধতা বহু ভিন্নদেশের বংশদ্ভুত কানাডীয়দের জন্য বড় সমস্যা তৈরি করেছিল, যাদের সন্তান বিদেশে জন্মেছিল।
২০২৩ সালের ১৯ ডিসেম্বর অন্টারিও সুপিরিয়র কোর্ট অব জাস্টিস রায় দেয়, বংশানুক্রমিক নাগরিকত্বের প্রথম-প্রজন্ম সীমা সংশ্লিষ্ট সিটিজেনশিপ অ্যাক্টের গুরুত্বপূর্ণ ধারাগুলো অসাংবিধানিক। কানাডা সরকার রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করেনি, কারণ তাদের মতে এই আইন বিদেশে জন্মানো কানাডীয়দের সন্তানের জন্য ‘অগ্রহণযোগ্য’ ফলাফল তৈরি করেছিল।
সংবাদ সংস্থা পিটিআইকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ‘লস্ট কানাডিয়ানস’-এর প্রতিষ্ঠাতা ডন চ্যাপম্যান বলেন, আধুনিক কানাডীয় পরিবারের বৈশ্বিক গতিশীলতাকে প্রতিফলিত করতে সিটিজেনশিপ অ্যাক্টকে হালনাগাদ করার মাধ্যমে সরকার নাগরিকত্ব প্রাপ্তিকে আরো ন্যায্য ও যুক্তিসঙ্গত করেছে।
কানাডিয়ান ইমিগ্রেশন ল’য়ার্স এসোসিয়েশন (সিআইএলএ) বিলসি-৩ কে সংসদের নাগরিকত্ব ও অভিবাসন বিষয়ক স্থায়ী কমিটিতে জোরালো সমর্থন জানিয়েছে। তারা বলছে, বিল সি-৩ অবশেষে এই অসাংবিধানিক বাধা দূর করতে চলেছে।
বিল সি-৩ পুরনো নিয়মে নাগরিকত্ব হারানো ব্যক্তিদের নাগরিকত্ব পুনরুদ্ধার করবে। এছাড়া এর মাধ্যমে বিদেশে জন্ম নেওয়া কানাডিয়ান পিতামাতা, যারা কানাডার সাথে সংযুক্ত, তাদের সন্তানদেরও নাগরিকত্ব দেওয়া যাবে। আইনে উল্লেখযোগ্য সংযোগ হিসেবে বলা হয়েছে, জন্ম বা দত্তকের আগে পিতা-মাতাকে ১,০৯৫ দিন কানাডায় থাকতে হবে।
আইনটি এখন মন্ত্রিসভার আদেশের মাধ্যমে কার্যকর হওয়ার অপেক্ষায় রয়েছে। আদালত ইতোমধ্যেই আইনটি কার্যকর করার সময়সীমা ২০২৬ সালের জানুয়ারি পর্যন্ত বাড়িয়েছে। ফলে আইআরসিসি প্রক্রিয়া চূড়ান্ত করার জন্য অতিরিক্ত সময় পেয়েছে। আইনটি কার্যকর হলে আবেদনকারীর সংখ্যা বাড়ার আশা করছেন অভিবাসন আইনজীবীরা। সূত্র: এনডিটিভি

 

মর্মান্তিক

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৩১ মার্চ, ২০২৬, ৮:৩১ অপরাহ্ণ
মর্মান্তিক

নিউইয়র্ক সিটির কুইন্স বরোর উডসাইডে একটি গার্বেজ ট্রাকের ধাক্কায় বাংলাদেশী তরুণীর মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। রোববার (২৯ মার্চ) রাতে হৃদয়বিদারক এই দুর্ঘটনা ঘটে। নিহত তরুণীর নাম নিশাত জান্নাত। বয়স ১৯। তার বাবা হেলাল আহমদ কুইন্সের উডসাইড এলাকার বায়তুল জান্নাহ মসজিদের ইমাম। চার বোনের মধ্যে নিশাত দ্বিতীয় ছিলো। জ্যামাইকার হিলসাইড এভিনিউ থেকে রোববার প্রায় মধ্যরাতের দিকে কাজ থেকে বাড়ী ফেরার পথে উডসাইড এলাকায় সড়ক পার হওয়ার সময় একটি গারবেজ ট্রাকের ধাক্কায় ঘটনা স্থলেই নিহত হন বলে পুলিশ ও পরিবারের সদস্যরা জানিয়েছেন। উল্লেখ্য, তাদের দেশের বাড়ি সিলেটের গোলাপগঞ্জ উপজেলায়। নিহত নিশাত জান্নাতের পরিবার ২০১৭ সালে যুক্তরাষ্ট্রে অভিবাসী ভিসায় যুক্তরাষ্ট্রে অভিবাসী হন।
পুলিশ জানায়, উডসাইডের রুজভেল্ট এভিনিউ ও ৬২তম স্ট্রিটের সংযোগস্থলে অর্থাৎ বাংলাদেশশী মালিকাধীন গ্রোসারী ফুড ফেয়ার রাত প্রায় ১১টা ৫৫ মিনিটে এই দুর্ঘটনা ঘটে। সে সময় নিশাত ক্রসওয়াক দিয়ে রাস্তা পার হচ্ছিলেন। পশ্চিমমুখী রুজভেল্ট এভিনিউ দিয়ে আসা ‘রয়্যাল ওয়েস্ট সার্ভিসেস’-এর একটি স্যানিটেশন ট্রাক ডান দিকে ঘুরে ৬২তম স্ট্রিটের উত্তরমুখী লেনে ওঠার সময় তাকে সজোরে ধাক্কা দেয়। পুলিশের মতে, সংযোগস্থলের উত্তর পাশে এই আঘাত লাগে। ঘটনাস্থলেই ইএমএস কর্মীরা নিশাতকে মৃত ঘোষণা করেন।
নিহতের বড় বোন নওশিন জান্নাত জানান, নিশাত জ্যামাইকার পারসন্স বুলেভার্ডে একটি পার্কিং গ্যারেজে রিসেপশনিস্ট হিসেবে কাজ করতো এবং সেখানে সে কালো ইউনিফর্ম পরতো। রোববার রাত ১১টার দিকে কাজ শেষ করে ছোট বোনের জন্য কেক আনতে নিশাত উডসাইড ট্রেন স্টেশনে নামে। এরপর আর কথা না হওয়ায় এবং দীর্ঘক্ষণ ধরে বাসায় না ফেরায় বাসার সবাই উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েন। পরে নিশাতের ফোনের লোকেশন ট্র্যাক করে রাত প্রায় ২টার দিকে ঘটনাস্থলে গিয়ে নিশাতের মর্মান্তিক ঘটনা জানতে পারেন। সে সময় সেখানে পুলিশ দেখতে পান এবং নিশাতের মরদেহ ঢাকা অবস্থায় ট্রাকের নীচেই পড়েছিলো।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, দুর্ঘটনায় জড়িত স্যানিটেশন ট্রাকটির চালক, ৩৮ বছর বয়সী এক নারী ঘটনাস্থলেই ছিলেন এবং সামান্য আঘাতের জন্য চিকিৎসা নেন। এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত কাউকে গ্রেপ্তার করা হয়নি। তবে ঐ নারীকে জিজ্ঞাবাসবাদ করা হচ্ছে। নিউইয়র্ক পুলিশ বিভাগের হাইওয়ে ডিস্ট্রিক্টের কলিশন ইনভেস্টিগেশন স্কোয়াড ঘটনাটি তদন্ত করছে।
এদিকে সোমবার (৩০ মার্চ) রয়্যাল ওয়েস্ট সার্ভিসেস এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, ‘তারা তদন্তে পুলিশকে সহযোগিতা করছে। প্রতিষ্ঠানটির মালিক প্রতিষ্ঠান ‘ওয়েস্ট কানেকশনস’-এর এক মুখপাত্র বলেন, কুইন্সে আজ সকালে ঘটে যাওয়া এই মর্মান্তিক ঘটনায় আমরা গভীরভাবে শোকাহত। রয়্যাল ওয়েস্ট সার্ভিসেসের পক্ষ থেকে আমরা নিহতের পরিবার ও সংশ্লিষ্ট সকলের প্রতি আন্তরিক সমবেদনা জানাচ্ছি। চলমান তদন্তের স্বার্থে এবং সংশ্লিষ্টদের গোপনীয়তার প্রতি সম্মান জানিয়ে আমরা এ বিষয়ে আর কোনো মন্তব্য করছি না।’