খুঁজুন
সোমবার, ১৩ এপ্রিল ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ৩০ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
লোড হচ্ছে...
নিউজ লোড হচ্ছে...
শিরোনাম:
বাংলা বছরের শেষদিন— চৈত্র সংক্রান্তি আজseparatorদেশে হাম ও উপসর্গে প্রাণ গেল আরও ৭ শিশুরseparatorপ্রধানমন্ত্রীর নতুন বাসভবনে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে থাকছে টানেল ও বাংকারseparatorইরানে আবার হামলা চালানোর কথা ভাবছেন ট্রাম্পseparatorবিশ্বকাপের আগে আর্জেন্টিনার কপালে দুশ্চিন্তার ভাঁজseparatorমালয়েশিয়া থেকে ২৮ বাংলাদেশিসহ ১৭৫ অভিবাসী ফেরতseparatorআগামী সপ্তাহে চিকিৎসা ও বাণিজ্যিক ভিসা চালু করছে ভারতseparatorঅস্ট্রেলিয়ার ইতিহাসে প্রথম নারী সেনাপ্রধান সুসান কোয়েলseparatorনববর্ষ পালনে নিরাপত্তা ঝুঁকি নেই, তবুও প্রস্তুত ‌‘স্পেশাল কমান্ডো ফোর্স’separatorপ্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে টেলিনর সিইও’র সাক্ষাৎseparatorহরমুজ প্রণালী দিয়ে বাংলাদেশি জাহাজ চলাচলের সুবিধা দিতে ইরা‌নকে অনুরোধseparatorহজ ভিসা নিয়ে সৌদি আরবের নতুন সিদ্ধান্তseparatorদীর্ঘ বিরতির পর মঞ্চে ফিরছেন জাস্টিন বিবারseparatorডেভেলপার টুলে নিরাপত্তা ত্রুটি পেলেও নিরাপদ চ্যাটজিপিটিseparatorহোয়াটসঅ্যাপের বিকল্প ‘এক্সচ্যাট’ আনলেন ইলন মাস্কseparatorবোল্টের চেয়েও দ্রুততম, ২০০ মিটারে রেকর্ড গড়লেন ১৮ বছরের এক অস্ট্রেলিয়ানseparatorবিশ্ব বাজারে আবার বাড়ল জ্বালানি তেলের দামseparatorইরানের বন্দরগুলোতে মার্কিন অবরোধ কার্যকর হচ্ছে আজ থেকেseparatorনিউইয়র্কে আব্দুল আলীম স্মৃতি পরিষদ গঠিতseparatorনিউইয়র্ক থেকে শীঘ্রই কমিউনিটিতে আসছে ‘সিটিভি’separatorনিউইয়র্কের জ্যামাইকায় মাহিন কালেকশনে চলছে বৈশাখী মেলাseparatorফার্নেস অয়েলের দাম বাড়ল লিটার প্রতি ২৪ টাকা ৫৯ পয়সাseparatorডোপ টেস্টে পজিটিভ, নিষিদ্ধ ভারোত্তোলক মাবিয়াseparatorমাঠে নেইমারের ছোঁয়া, জয়ে ফিরল সান্তোসseparatorহাইতিতে ঐতিহাসিক দুর্গে পদদলিত হয়ে ৩০ জনের প্রাণহানিseparatorমানহানির মামলা করলেন হানসিকাseparatorচৈত্রসংক্রান্তি ও বাংলা নববর্ষে শিল্পকলায় ৫ দিনব্যাপী কর্মসূচিseparatorহত্যাচেষ্টা মামলায় সাবেক স্পিকার শিরীন চৌধুরীর জামিনseparatorকিংবদন্তি গায়িকা আশা ভোঁসলে আর নেইseparatorসশস্ত্র বাহিনী স্বাধীন রাষ্ট্রের শক্তি, মর্যাদার প্রতীক: প্রধানমন্ত্রীseparatorরোনালদোর গোলে শিরোপার আরও কাছে আল-নাসরseparatorহরমুজে যুদ্ধজাহাজ মোতায়েনের দাবি যুক্তরাষ্ট্রেরseparatorআজ থেকে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে অনলাইন ক্লাস শুরুseparatorআজ ৪ সিটিতে দেয়া হচ্ছে হামের টিকাseparatorফুটবল বিশ্বকাপের টিকিটে আরও দামি ক্যাটাগরি যোগseparatorবৈসাবি উৎসব উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রীর শুভেচ্ছা ও অভিনন্দনseparatorইরান-যুক্তরাষ্ট্র আলোচনা ব্যর্থ, কোনো চুক্তি ছাড়াই ফিরছেন জেডি ভ্যান্সseparatorইরান-যুক্তরাষ্ট্র-পাকিস্তানের মধ্যে প্রথমদিনের আলোচনা শেষseparatorমুক্তির আগেই ফাঁস বিজয়ের ৫০০ কোটি রুপির সিনেমার এইচডি প্রিন্টseparatorইসলামাবাদে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের আলোচনা শুরুseparatorইতিহাস গড়ে ঘরে ফিরলেন ৪ নভোচারীseparatorভারত থেকে পাইপলাইনে এলো আরও ৮ হাজার টন জ্বালানি তেলseparatorভূমিকম্পের ৯০ সেকেন্ড আগে সতর্ক করবে ইব্রাহিম মোল্লার ‘ভুবন’ অ্যাপseparatorমোবাইলে যেসব অ্যাপ ইন্সটলে ফাঁসতে পারেন সাইবার প্রতারণায়separatorলন্ডনে যাচ্ছে রায়হান রাফীর ‘প্রেশার কুকার’separatorমোজতবা খামেনির মুখমণ্ডল বিকৃত হয়েছে, ‘হারিয়েছেন পা’separatorবিরতি ভেঙে বড় পর্দায় ফিরছেন অন্তত-বর্ষা জুটিseparatorজুয়েল আইচের জন্মদিনকে ‘জাদু দিবস’ ঘোষণাseparatorআর্জেন্টিনাকে ৩-০ গোলে উড়িয়ে দিল চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী ব্রাজিলseparatorটানা ৩ দিনের ছুটিতে দেশের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানseparatorহজযাত্রা নিয়ে জরুরি বার্তাseparatorনিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে দল ঘোষণা করল বাংলাদেশseparatorনিউইয়র্কে আনন্দধ্বনি উদযাপন করবে বর্ণাঢ্য বর্ষবিদায় ও বর্ষবরণ উৎসবseparatorইসলামাবাদে আজ শান্তি চুক্তি নিয়ে আলোচনায় বসছে যুক্তরাষ্ট্র-ইরানseparatorবিশ্বকাপের আগে ইউরোপিয়ান দলের বিপক্ষে মাঠে নামবে আর্জেন্টিনাseparatorবঙ্গবন্ধুকে উৎসর্গ করে নিউইয়র্কে ৪০তম ফোবানা সম্মেলনের ঘোষণাseparator৯১টি বিল পাসের মাধ্যমে ১২০ অধ্যাদেশের নিষ্পত্তি, কার্যকারিতা হারাচ্ছে ২০টিseparatorথাইল্যান্ডের রিসোর্ট থেকে ২১ বাংলাদেশি গ্রেপ্তারseparatorআন্তর্জাতিক মানের উইকেট তৈরির পরিকল্পনা নিউজিল্যান্ড সিরিজেseparatorযুদ্ধ বিরতির মধ্যেও হরমুজ প্রণালি পার হতে ইরানের অনুমতি পায়নি ‘বাংলার জয়যাত্রা’separatorলেবাননে বৈরুতে ইসরায়েলি হামলায় বাংলাদেশি নারী নিহতseparatorপাকিস্তান নৌবাহিনীর অভিযানে প্রাণ বাঁচলো বাংলাদেশিসহ ১৮ নাবিকেরseparatorমিয়ানমারের প্রেসিডেন্ট হিসেবে শপথ নিলেন জান্তাপ্রধান মিন অং হ্লাইংseparatorচলতি অর্থবছরে বাংলাদেশের প্রবৃদ্ধি হবে ৪ শতাংশ: এডিবিseparatorপহেলা বৈশাখ উপলক্ষে ডিএমপির নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদারseparatorচাইনিজ তাইপেকে হারিয়ে পঞ্চম বাংলাদেশseparatorএলএনজি-এলপিজি নিয়ে দেশে আসছে আরও ৫ জাহাজseparatorজাতীয় সংসদে আরও ১০টি বিল পাসseparatorনিউইয়র্কে সংবাদ সম্মেলনে নেতৃবৃন্দের ঘোষণা : ৪০তম ফোবানা সম্মেলন কানাডার টরন্টোseparatorপহেলা বৈশাখ বাংলাদেশ কনস্যুলেট বন্ধ থাকবে : বিভিন্ন সংগঠনের কর্মসূচী ঘোষণাseparatorদেশের প্রথম বিজলিবাতি, বিস্ময়ের সেই রাতseparatorগ্রাম কিংবা শহর অঞ্চলের ঐতিহ্য হারিকেন বা কুপিবাতি বিলুপ্তিseparator‘ছবিওয়ালা’ বড় পর্দায় আসছে বিনামূল্যেseparatorনিউজিল্যান্ড সিরিজের নতুন সময়সূচিতে পরিবর্তনseparatorচাহিদা অনুযায়ী শ্রমবাজার খুলতে রাজি মালয়েশিয়াseparatorআজ জাতীয় সংসদে ১২টি বিল পাসseparatorহাদি হত্যায় অভিযুক্ত ফয়সালের অস্ত্র মামলায় ১০ বছরের কারাদণ্ডseparator২ পুলিশের মৃত্যুদণ্ড, ৩ জনের যাবজ্জীবন, ২৪ আসামির বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ডseparatorযুক্তরাষ্ট্র-ইরান বৈঠকের প্রস্তুতিতে ইসলামাবাদ ও রাওয়ালপিন্ডিতে দুই দিনের ছুটি ঘোষণাseparatorদেশে ফেরা বেকার প্রবাসীদের কর্মসংস্থানের চেষ্টা করছিseparatorচুক্তি না মানলে আরও শক্তিশালী ও ভয়ংকর হামলার হুমকি প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পেরseparatorনিজেদের মাঠেই আতলেতিকোর কাছে হেরে পিছিয়ে থাকল বার্সাseparatorমালয়েশিয়ায় ৭৯ বাংলাদেশি আটকseparatorবগুড়া-৬ ও শেরপুর-৩ আসনে ভোটগ্রহণ চলছে, সকাল থেকেই কেন্দ্রে ভোটারদের উপস্থিতিseparatorঅবশেষে মুসল্লিদের জন্যে খুলে দেয়া হয়েছে পবিত্র আল-আকসা মসজিদseparatorলিভারপুলকে হারিয়ে সেমির লড়াইয়ে নিজেদের সহজে এগিয়ে নিল পিএসজিseparatorআবু সাঈদ হত্যা মামলার রায় আজ, ট্রাইব্যুনালে হাজির ৬ আসামিseparatorঐতিহাসিক সফর শেষে পৃথিবীর পথে নভোচারীরাseparatorইসরায়েলের ‘নির্বিচার’ বোমা হামলা বন্ধের আহ্বান জানাল স্পেনseparatorওসমান হাদি হত্যার দুই আসামিকে ফেরত দিতে সম্মত ভারতseparator৬ মাসের মধ্যে ১০ হাজার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ফ্রি ওয়াই-ফাই চালু করা হবে: প্রধানমন্ত্রীseparatorইন্টারনেট ব্যবহারকারীদের জন্য দুঃসংবাদseparatorপ্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের প্রথম সফর হতে যাচ্ছে ভারতেseparatorলক্ষ্যমাত্রার চেয়ে বেশি ঋণ নিয়েছে সরকারseparatorশতকোটি টাকা দুর্নীতির অভিযোগে আসিফ নজরুলের বিরুদ্ধে দুদকে আবেদনseparatorসংসদে ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান সুরক্ষা আইন’ পাসseparatorজাতীয় তথ্য বাতায়নের নতুন সংস্করণ চালু, যুক্ত হলো ৩৫ হাজারের বেশি ওয়েবসাইটseparatorফ্লোরিডায় গুলিবিদ্ধ মার্কিন র‍্যাপার অফসেট, হাসপাতালে চিকিৎসাধীনseparatorআফ্রিকায় এশিয়া কাপের আদলে টি-টোয়েন্টি টুর্নামেন্টের পরিকল্পনাseparator‘দম’ সিনেমার প্রযোজক শাহরিয়ার শাকিলকে দুদকের নোটিশ

প্রধানমন্ত্রীর নতুন বাসভবনে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে থাকছে টানেল ও বাংকার

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: সোমবার, ১৩ এপ্রিল, ২০২৬, ৫:৫২ পূর্বাহ্ণ
প্রধানমন্ত্রীর নতুন বাসভবনে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে থাকছে টানেল ও বাংকার

আধুনিক নিরাপত্তা ব্যবস্থার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে প্রধানমন্ত্রীর জন্য নতুন একটি বাসভবন নির্মাণের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে, যেখানে আন্ডারগ্রাউন্ড টানেল ও বাংকার থাকবে বলে জানা গেছে।

গণপূর্ত বিভাগের সংশ্লিষ্ট সূত্রের বরাতে জানা যায়, নতুন বাসভবনের নকশায় বিশ্বের বিভিন্ন দেশের প্রধানমন্ত্রীর বাসভবনের আধুনিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা অনুসরণ করা হচ্ছে। পরিকল্পনা অনুযায়ী, ভবনের নিচে অত্যাধুনিক বাংকার ও সুড়ঙ্গপথ (টানেল) রাখা হবে, যা যেকোনো জরুরি পরিস্থিতিতে নিরাপত্তা নিশ্চিত করবে।

সূত্র জানায়, বহিরাগত আক্রমণসহ যেকোনো ঝুঁকি মোকাবিলায় এই নিরাপত্তা কাঠামো ব্যবহার করা হবে এবং এটি প্রধানমন্ত্রীর পরিবারসহ গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের সুরক্ষায় সহায়ক হবে।

এদিকে, সাবেক প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন ‘গণভবন’ বর্তমানে ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর’ হিসেবে রূপান্তর করা হয়েছে। পরিবর্তিত রাজনৈতিক পরিস্থিতির পর রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনা বর্তমানে প্রধান উপদেষ্টার বাসস্থান হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে।

গণপূর্ত মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, নতুন বাসভবনটি স্থায়ী ও আধুনিক নিরাপত্তা সুবিধাসম্পন্ন হিসেবে নির্মাণের কার্যক্রম শুরু হয়েছে।

বাংলা বছরের শেষদিন— চৈত্র সংক্রান্তি আজ

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: সোমবার, ১৩ এপ্রিল, ২০২৬, ৯:০৫ পূর্বাহ্ণ
বাংলা বছরের শেষদিন— চৈত্র সংক্রান্তি আজ

ঋতুচক্রের অনিবার্য আবর্তনে জীর্ণ-পুরাতনকে বিদায় জানিয়ে মহাকালের গভীর গর্ভে বিলীন হতে চলেছে আরেকটি বাংলা বছর। চৈত্রের দহনদগ্ধ প্রখর দুপুরে, শুকনো পাতার মৃদু নূপুরধ্বনি যেন বাজিয়ে তোলে বিদায়ের এক বিষণ্ন সুর; সেই সুরে মিশে থাকে নতুনের আহ্বান, নবজাগরণের নীরব প্রতিশ্রুতি। বিদায় ও আগমনের এই অনির্বচনীয় সন্ধিক্ষণে এসে দাঁড়িয়েছে চৈত্র সংক্রান্তি যা বাংলার মানুষের আবেগ, ঐতিহ্য ও অস্তিত্বের এক গভীর প্রতীক।

আজ (৩০ চৈত্র) বাংলা বছরের শেষ দিন, চৈত্র সংক্রান্তি। পুরনো বছরের সব ক্লান্তি, গ্লানি ও জীর্ণতাকে বিদায় জানিয়ে নতুন বছরের দ্বারপ্রান্তে দাঁড়িয়ে আছে দেশের মানুষ। বিদায় ও আগমনের এই সন্ধিক্ষণ তাই একাধারে আবেগ, ঐতিহ্য ও নবজাগরণের প্রতীক। এই দিনটি কেবল একটি পঞ্জিকার সমাপ্তি নয়; এটি এক দীর্ঘ বছরের ক্লান্তি, জীর্ণতা ও গ্লানিকে মুছে ফেলার প্রতীকী মুহূর্ত। নতুন উদ্যমে, নব প্রত্যয়ে জীবনকে পুনরারম্ভ করার এক অন্তর্লীন প্রেরণা জাগায় চৈত্র সংক্রান্তি। তাই এটি শুধু বিদায়ের দিন নয়, বরং নবসূত্রে গাঁথার এক নীরব অঙ্গীকার।

চৈত্রসংক্রান্তি পালনের আচার-অনুষ্ঠানে অঞ্চলভেদে বৈচিত্র্য থাকলেও এর মর্মকথা এক-ঐতিহ্যের অবিচ্ছিন্ন প্রবাহ। যুগে যুগে, কালের পর কাল ধরে বাঙালির জীবনধারা, বিশ্বাস ও সংস্কৃতির সঙ্গে নিবিড়ভাবে জড়িয়ে আছে এই দিনটি। একসময় এটি পাহাড়ি জনগোষ্ঠী ও সনাতন ধর্মাবলম্বীদের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকলেও আজ তা পরিণত হয়েছে এক সর্বজনীন উৎসবে; ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সকল মানুষের অংশগ্রহণে এটি পেয়েছে সর্বজনীন স্বীকৃতি। পাহাড়ি জনগোষ্ঠী এই উপলক্ষে তিনদিনব্যাপী উৎসবের মধ্য দিয়ে চৈত্র সংক্রান্তি ও নববর্ষকে বরণ করে নেয়, যা তাদের নিজস্ব ঐতিহ্যের এক বর্ণাঢ্য প্রকাশ।

গ্রামবাংলার নিসর্গে চৈত্র সংক্রান্তির আবহ যেন আরও গভীর ও প্রাণবন্ত। পুরনো বছরের যাবতীয় দুঃখ, গ্লানি ও ব্যর্থতাকে বিদায় জানিয়ে নতুন বছরকে স্বাগত জানানোর প্রস্তুতিতে মুখর হয়ে ওঠে জনপদ। ব্যবসায়িক জীবনে পুরনো হিসাব-নিকাশ চুকিয়ে নতুন করে ‘হালখাতা’ খোলার যে প্রথা, তা যেন নতুন সূচনারই এক প্রতীকী ভাষ্য।

খাদ্য সংস্কৃতিতেও এই দিনের রয়েছে স্বাতন্ত্র্য। আমিষ বর্জন করে নিরামিষ আহারের যে চিরায়ত রীতি, তা আজও বহমান। কোথাও কোথাও ১৪ প্রকার শাক দিয়ে ‘শাকান্ন’ রান্নার প্রথা যেন প্রকৃতির প্রতি কৃতজ্ঞতারই এক নিবেদন। আবার কোনো কোনো অঞ্চলে ছাতু খাওয়ার প্রচলনও এই দিনের ঐতিহ্যের অংশ। চৈত্র মাসে রোগবালাই বৃদ্ধির আশঙ্কা থেকে তেতো ও শাকসবজি খাওয়ার যে রীতি, তা কেবল বিশ্বাস নয়-এটি এক প্রাচীন জীবনবোধের প্রতিফলন, যেখানে স্বাস্থ্য ও সংস্কৃতি একসূত্রে গাঁথা।

সনাতন ধর্মাবলম্বীদের কাছে চৈত্র সংক্রান্তি ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠানের এক গুরুত্বপূর্ণ দিন। ব্রতপালন, শিবপূজা এবং নানা বিধান পালনের মধ্য দিয়ে তারা দিনটিকে ধারণ করে। মন্দিরে কিংবা গৃহে পূজা অর্চনার পাশাপাশি সন্ধ্যার অন্ধকারে জ্বলে ওঠা প্রদীপ যেন ভবিষ্যতের আলোকবর্তিকা আগামী দিনের শান্তি ও সমৃদ্ধির এক নিঃশব্দ প্রার্থনা।

সময়ের প্রবাহে চৈত্র সংক্রান্তির রূপ বদলেছে, বিশেষত শহুরে জীবনে। তবুও গ্রামীণ ঐতিহ্যের অনুষঙ্গ আজও ম্লান হয়নি। মেলা, পুতুলনাচ, বায়োস্কোপ, পটচিত্র, যাত্রাপালা, লোকসংগীত ও নৃত্যের আয়োজন যেন এই দিনটিকে জীবন্ত করে তোলে। সাংস্কৃতিক সংগঠনগুলো তাদের নিজস্ব উদ্যোগে এই ঐতিহ্যকে ধারণ ও বিস্তারের প্রয়াস চালিয়ে যাচ্ছে, নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরছে বাঙালির শেকড়ের গল্প।

এ বছরও চৈত্র সংক্রান্তিকে ঘিরে দেশব্যাপী নানা কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে। সরকারি ও বেসরকারি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের আয়োজনে দিনটি উদযাপিত হবে নানান আয়োজনের মধ্য দিয়ে। এরই অংশ বিকেল ৩টায় বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমিতে অনুষ্ঠিত হবে লোকশিল্প প্রদর্শনী। প্রায় ৫০ জন যন্ত্রশিল্পীর সম্মিলিত অংশগ্রহণে পরিবেশিত হবে অর্কেস্ট্রা ‘তোরা সব জয়ধ্বনি কর’, যা বয়ে আনবে উৎসবের সম্মিলিত স্পন্দন। উন্মুক্ত প্রাঙ্গণে ৩০ জন নৃত্যশিল্পীর পরিবেশনায় ধামাইল নৃত্য যেন ঐতিহ্যের ছন্দে দর্শকদের আবিষ্ট করবে।

অনুষ্ঠানের ধারাবাহিকতায় পরিবেশিত হবে লোকসংগীত জারিগান, পটগান ও পুঁথিপাঠ, যা বাংলার লোকজ সাহিত্য ও সুরের ঐশ্বর্যকে নতুনভাবে উন্মোচন করবে। পাশাপাশি ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর সংগীত ও নৃত্য পরিবেশনা এই আয়োজনকে বহুসাংস্কৃতিক বৈচিত্র্যে সমৃদ্ধ করবে। লোকসাহিত্যের এক গুরুত্বপূর্ণ উপাদান হিসেবে মঞ্চস্থ হবে যাত্রাপালা ‘রহিম বাদশা রূপবান কন্যা’, যা দর্শকদের মনে জাগাবে গ্রামীণ জীবনের চিরন্তন রূপকথার আবেশ।

দেশে হাম ও উপসর্গে প্রাণ গেল আরও ৭ শিশুর

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: সোমবার, ১৩ এপ্রিল, ২০২৬, ৮:৫৭ পূর্বাহ্ণ
দেশে হাম ও উপসর্গে প্রাণ গেল আরও ৭ শিশুর

দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় হাম আক্রান্ত হয়ে দুই শিশুর মৃত্যু হয়েছে, পাশাপাশি হামের উপসর্গ নিয়ে আরও পাঁচজন মারা গেছেন।আজ সোমবার (১৩ এপ্রিল) সকাল ৮টা পর্যন্ত আগের একদিনের এই তথ্য জানিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। সংস্থাটির নিয়মিত হাম বিষয়ক বুলেটিন অনুযায়ী, ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত সারাদেশে হাম আক্রান্ত হয়ে মোট ৩০ জনের মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে ঢাকায় সর্বোচ্চ ১৭ জন এবং বরিশালের হাসপাতালগুলোতে পাঁচজন মারা গেছেন।

এছাড়া চট্টগ্রামে তিনজন, ময়মনসিংহে দুইজন এবং রাজশাহীতে তিনজনের মৃত্যু হয়েছে। খুলনায় এখন পর্যন্ত হাম আক্রান্ত হয়ে কোনো মৃত্যুর খবর পাওয়া যায়নি। একই সময়ে, হামের উপসর্গ নিয়ে সারাদেশে মোট ১৫৬ জনের মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে ঢাকায় সবচেয়ে বেশি ৬৮ জন এবং রাজশাহী বিভাগে ৬৩ জন মারা গেছেন।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে ৮২ জন হাম আক্রান্ত হয়েছেন। এ সময়ে ১ হাজার ৩৭১ জন হামের লক্ষণ নিয়ে হাসপাতালে আসেন, যাদের মধ্যে ২৯ জনকে ভর্তি করা হয়েছে। এই সময়ে ঢাকার হাসপাতালগুলোতে সর্বোচ্চ ২৭৪ জন ভর্তি হয়েছেন, আর রংপুরে সবচেয়ে কম ১১ জন ভর্তি হয়েছেন।

১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত হামের লক্ষণ নিয়ে দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে মোট ১০ হাজার ৯৫৪ জন চিকিৎসা নিয়েছেন। এর মধ্যে ২ হাজার ৭২১ জনের শরীরে হাম শনাক্ত হয়েছে।

দ্য ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল

ইরানে আবার হামলা চালানোর কথা ভাবছেন ট্রাম্প

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: সোমবার, ১৩ এপ্রিল, ২০২৬, ৫:৪৫ পূর্বাহ্ণ
ইরানে আবার হামলা চালানোর কথা ভাবছেন ট্রাম্প

পাকিস্তানে অনুষ্ঠিত আলোচনা স্থায়ীভাবে যুদ্ধ বন্ধ করতে ব্যর্থ হওয়ার পর যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানে পুনরায় বিমান হামলা শুরু করার কথা চিন্তা করছেন।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে মার্কিন সংবাদমাধ্যম ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল জানিয়েছে, রোববার প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প হরমুজ প্রণালিতে অবরোধের যে ঘোষণা দিয়েছেন; তার সঙ্গে আবারো বিমান হামলা চালানোর বিষয়টিও তার বিবেচনায় আছে।

এদিকে, মার্কিন সামরিক বাহিনী জানিয়েছে, আজ সোমবার স্থানীয় সময় সকাল ১০টা থেকে ইরানি বন্দরগুলোতে অবরোধ শুরু করা হবে।

হরমুজ প্রণালি দিয়ে অন্য দেশে যাতায়াতকারী জাহাজগুলোকে যুক্তরাষ্ট্র ‘বাধা দেবে না’। এখন এ অস্থিরতার কারণে বিশ্ববাজারে তেলের দাম আবারও ১০০ ডলারের ওপরে উঠে গেছে। আর ইরানি সংসদের স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবফ বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্রের হুমকির কাছে তেহরান ‘নতি স্বীকার’ করবে না।

এদিকে, ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের প্রতিবেদনের বিষয়ে জানতে চাইলে হোয়াইট হাউজ থেকে বিবিসিকে বলা হয়েছে, সব পথই খোলা রাখা হয়েছে।

হোয়াইট হাউজের মুখপাত্র অলিভিয়া ওয়েলস বলেন, প্রেসিডেন্ট ইতোমধ্যেই হরমুজ প্রণালিতে নৌ অবরোধের নির্দেশ দিয়ে ইরানের চাঁদাবাজি বন্ধ করেছেন। একইসঙ্গে বুদ্ধিমত্তা দিয়ে সব বিকল্প পথও খোলা রেখেছেন। ওয়াল স্ট্রিটকে যারা বলেছেন প্রেসিডেন্ট এরপর কী করবেন তারা স্রেফ অনুমান করে বলেছেন।

অন্যদিকে, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের এক পোস্টের পর হরমুজ প্রণালিতে নৌ অবরোধের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। ওই পোস্টে তিনি বলেছেন, ইউএস নৌ-বাহিনী হরমুজ প্রণালিতে প্রবেশ বা ছেড়ে যেতে চেষ্টা করা ‘যে কোনো এবং সব জাহাজকে’ অবরোধ করবে।

এদিকে, ইসলামিক রেভুলেশনারি গার্ড কোর (আইআরজিসি) জানিয়েছে, এই নৌপথের কাছাকাছি আসা যে কোনো সামরিক জাহাজের বিরুদ্ধে ‘কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের আরেক পোস্টে ট্রাম্প বলেছেন, পাকিস্তানে ইরানের সঙ্গে সরাসরি আলোচনা ব্যর্থ হয়েছে। কারণ, ইরান তাদের পারমাণবিক উচ্চাকাঙ্ক্ষা ত্যাগ করতে অনিচ্ছুক।

এদিকে, ওয়াশিংটন ডিসির কাছে মেরিল্যান্ডে মার্কিন সামরিক ঘাঁটি জয়েন্ট বেস অ্যান্ড্রুজে কিছুক্ষণ আগে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সাংবাদিকদের বলেছেন, ইরান যদি এখন আলোচনায় ফিরে না আসে, তাহলেও কোনো সমস্যা নেই।

পাকিস্তানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে শান্তি আলোচনা ব্যর্থ হওয়ার একদিন পর ট্রাম্প বলেন, ‘তারা ফিরে আসুক বা না আসুক, আমার কিছু যায় আসে না। যদি তারা ফিরে না আসে, তাহলেও আমার কোনো সমস্যা নেই (আই এম ফাইন)।’

মার্কিন প্রেসিডেন্ট বলেছেন, ইরান এখনও পারমাণবিক অস্ত্র চায় এবং ইসলামাবাদে অনুষ্ঠিত বৈঠকে তারা এই ইচ্ছে প্রকাশ করেছে। তারা এখনও এটি চায় এবং গত রাতে তারা তা স্পষ্ট করে দিয়েছে। ইরানের পারমাণবিক অস্ত্র থাকবে না।

এদিকে, ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে শান্তি আলোচনা কোনো সমঝোতা বা চুক্তি ছাড়াই শেষ হওয়া এবং যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ইরানি বন্দরে অবরোধের ঘোষণা দেওয়ার পর জ্বালানির বাজার খোলার সঙ্গে সঙ্গেই তেলের দাম ব্যারেল প্রতি ১০০ ডলার ছাড়িয়েছে।

অপরিশোধিত তেলের আন্তর্জাতিক মানদণ্ড হিসেবে পরিচিত ব্রেন্ট ক্রুড অয়েলের দাম ৭ দশমিক ৫ শতাংশ বেড়ে ১০২ দশমিক ৩৭ ডলার হয়েছে। গত সপ্তাহের আলোচনা ব্যর্থ হওয়ায় এই যুদ্ধের ফলে এখন জ্বালানি সংকটকে আরও বাড়াবে বলে শঙ্কা তৈরি হয়েছে।

ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি বলেছেন, পাকিস্তানে শান্তি আলোচনার সময় দুই পক্ষই চুক্তির ‘একদম কাছাকাছি’ ছিল। কিন্তু তেহরানকে যুক্তরাষ্ট্রের ‘সর্বোচ্চ চাপ, বারবার লক্ষ্য পরিবর্তন এবং অবরোধের’ সম্মুখীন হতে হয়েছিল।

পাকিস্তানে শান্তি আলোচনায় নেতৃত্ব দেওয়া ইরানি স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ এক্স এ দেওয়া এক পোস্টে যুক্তরাষ্ট্রের সিদ্ধান্তকে উপহাস করে লিখেছেন, ‘বর্তমান তেলের দাম দেখে আনন্দ করুন। এই তথাকথিত অবরোধের কারণে শীঘ্রই আপনারা চার বা পাঁচ ডলারে গ্যাস পাওয়ার দিনগুলোর কথা ভেবে নস্টালজিক হয়ে পড়বেন।’

এর আগে, ইরানি গণমাধ্যমে প্রকাশিত এক বিবৃতিতে গালিবফ বলেছেন, ইরান কোনো হুমকির কাছে আত্মসমর্পণ করবে না।দেশটির নৌবাহিনী জানিয়েছে, দেশটির জলপথের দিকে এগিয়ে আসা যে কোনো সামরিক জাহাজের বিরুদ্ধে ‘কঠোর’ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

২৮ ফেব্রুয়ারি যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে ইরানে ইন্টারনেট সংযোগ প্রায় বিচ্ছিন্ন রয়েছে। সে সময় থেকেই সাইবার হামলা থেকে দেশকে রক্ষা করার কারণ দেখিয়ে ইন্টারনেট ব্যবহারের ওপর বিধিনিষেধ আরোপ করে ইরানি কর্তৃপক্ষ।

কিন্তু এ পদক্ষেপের কারণে তথ্য আদান-প্রদানে সাধারণ মানুষ ভোগান্তির শিকার হচ্ছে এবং যারা ইন্টারনেটের ওপর নির্ভর করে নিজেদের ও পরিবারের ভরণ-পোষণ করেন, তারা সংকটের মুখে পড়েছেন।