খুঁজুন
শুক্রবার, ১০ এপ্রিল ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২৭ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
লোড হচ্ছে...
নিউজ লোড হচ্ছে...
শিরোনাম:
মিয়ানমারের প্রেসিডেন্ট হিসেবে শপথ নিলেন জান্তাপ্রধান মিন অং হ্লাইংseparatorচলতি অর্থবছরে বাংলাদেশের প্রবৃদ্ধি হবে ৪ শতাংশ: এডিবিseparatorপহেলা বৈশাখ উপলক্ষে ডিএমপির নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদারseparatorচাইনিজ তাইপেকে হারিয়ে পঞ্চম বাংলাদেশseparatorএলএনজি-এলপিজি নিয়ে দেশে আসছে আরও ৫ জাহাজseparatorজাতীয় সংসদে আরও ১০টি বিল পাসseparatorনিউইয়র্কে সংবাদ সম্মেলনে নেতৃবৃন্দের ঘোষণা : ৪০তম ফোবানা সম্মেলন কানাডার টরন্টোseparatorপহেলা বৈশাখ বাংলাদেশ কনস্যুলেট বন্ধ থাকবে : বিভিন্ন সংগঠনের কর্মসূচী ঘোষণাseparatorদেশের প্রথম বিজলিবাতি, বিস্ময়ের সেই রাতseparatorগ্রাম কিংবা শহর অঞ্চলের ঐতিহ্য হারিকেন বা কুপিবাতি বিলুপ্তিseparator‘ছবিওয়ালা’ বড় পর্দায় আসছে বিনামূল্যেseparatorনিউজিল্যান্ড সিরিজের নতুন সময়সূচিতে পরিবর্তনseparatorচাহিদা অনুযায়ী শ্রমবাজার খুলতে রাজি মালয়েশিয়াseparatorআজ জাতীয় সংসদে ১২টি বিল পাসseparatorহাদি হত্যায় অভিযুক্ত ফয়সালের অস্ত্র মামলায় ১০ বছরের কারাদণ্ডseparator২ পুলিশের মৃত্যুদণ্ড, ৩ জনের যাবজ্জীবন, ২৪ আসামির বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ডseparatorযুক্তরাষ্ট্র-ইরান বৈঠকের প্রস্তুতিতে ইসলামাবাদ ও রাওয়ালপিন্ডিতে দুই দিনের ছুটি ঘোষণাseparatorদেশে ফেরা বেকার প্রবাসীদের কর্মসংস্থানের চেষ্টা করছিseparatorচুক্তি না মানলে আরও শক্তিশালী ও ভয়ংকর হামলার হুমকি প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পেরseparatorনিজেদের মাঠেই আতলেতিকোর কাছে হেরে পিছিয়ে থাকল বার্সাseparatorমালয়েশিয়ায় ৭৯ বাংলাদেশি আটকseparatorবগুড়া-৬ ও শেরপুর-৩ আসনে ভোটগ্রহণ চলছে, সকাল থেকেই কেন্দ্রে ভোটারদের উপস্থিতিseparatorঅবশেষে মুসল্লিদের জন্যে খুলে দেয়া হয়েছে পবিত্র আল-আকসা মসজিদseparatorলিভারপুলকে হারিয়ে সেমির লড়াইয়ে নিজেদের সহজে এগিয়ে নিল পিএসজিseparatorআবু সাঈদ হত্যা মামলার রায় আজ, ট্রাইব্যুনালে হাজির ৬ আসামিseparatorঐতিহাসিক সফর শেষে পৃথিবীর পথে নভোচারীরাseparatorইসরায়েলের ‘নির্বিচার’ বোমা হামলা বন্ধের আহ্বান জানাল স্পেনseparatorওসমান হাদি হত্যার দুই আসামিকে ফেরত দিতে সম্মত ভারতseparator৬ মাসের মধ্যে ১০ হাজার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ফ্রি ওয়াই-ফাই চালু করা হবে: প্রধানমন্ত্রীseparatorইন্টারনেট ব্যবহারকারীদের জন্য দুঃসংবাদseparatorপ্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের প্রথম সফর হতে যাচ্ছে ভারতেseparatorলক্ষ্যমাত্রার চেয়ে বেশি ঋণ নিয়েছে সরকারseparatorশতকোটি টাকা দুর্নীতির অভিযোগে আসিফ নজরুলের বিরুদ্ধে দুদকে আবেদনseparatorসংসদে ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান সুরক্ষা আইন’ পাসseparatorজাতীয় তথ্য বাতায়নের নতুন সংস্করণ চালু, যুক্ত হলো ৩৫ হাজারের বেশি ওয়েবসাইটseparatorফ্লোরিডায় গুলিবিদ্ধ মার্কিন র‍্যাপার অফসেট, হাসপাতালে চিকিৎসাধীনseparatorআফ্রিকায় এশিয়া কাপের আদলে টি-টোয়েন্টি টুর্নামেন্টের পরিকল্পনাseparator‘দম’ সিনেমার প্রযোজক শাহরিয়ার শাকিলকে দুদকের নোটিশseparatorআবারও আইনি জটিলতায় সালমানseparatorহরমুজ প্রণালীতে ‘যানজট’ নিরসনে সহায়তা করবে যুক্তরাষ্ট্র: ট্রাম্পseparatorযুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকদের হজে না যাওয়ার পরামর্শseparatorদেশের ২৮৪৭ গ্রামে প্রাথমিক বিদ্যালয় নেই : শিক্ষামন্ত্রীseparatorনিউইয়র্কে সড়ক দুর্ঘটনায় একই পরিবারের ৩ বাংলাদেশিসহ নিহত ৪separatorনিউইয়র্কে রাউন্ড টেবিল আলোচনায় বক্তারা : স্বাধীনতা ও জুলাই বিপ্লব অর্থবহ এবং মানবাধিকার প্রতিষ্ঠার উপর গুরুত্তারোপseparatorবাহরাইনে মার্কিন নাগরিকদের নিরাপদ স্থানে থাকার জরুরি নির্দেশseparatorঅন্তর্বর্তী সরকারের ১৪ অধ্যাদেশ বিল আকারে পাসseparatorমধ্যরাত থেকে যেসব এলাকায় বন্ধ হচ্ছে মোটরসাইকেল চলাচলseparatorরিমান্ড-জামিন নামঞ্জুর, শিরীন শারমিন কারাগারেseparatorজ্বালানি তেল কিনতে চালু হচ্ছে ‘ফুয়েল পাস’ ব্যবস্থাseparatorবিসিবির এডহক কমিটির সভাপতি তামিম ইকবালseparatorলাল-সবুজের জার্সিতে হাসিমুখে ক্যারিয়ার শেষ করতে চাই : সাকিব আল হাসানseparatorআজ দিল্লি সফরে যাচ্ছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রীseparatorমালয়েশিয়া থেকে আসছে ৫১ হাজার টন অকটেনseparatorদেশে ৪ দশমিক ৯ মাত্রার ভূমিকম্প, উৎপত্তিস্থল কোথায়separatorবাংলাদেশ সোসাইটির নির্বাচন  কমিশন গঠিতseparatorঠিকানা টিভি হবে বাংলাদেশী কমিউনিটির আল জাজিরা : বর্ষপূর্তী অনুষ্ঠানে এম এম শহীনseparator২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৭ জনের মৃত্যুseparatorজাতীয় সংসদে ৭টি বিল পাস,৩ টিতে ‘নোট অব ডিসেন্ট’separatorঅমুক্তিযোদ্ধাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে : মন্ত্রী আহমেদ আযম খানseparatorভারতকে কাঁদিয়ে ইতিহাস গড়ে সাফ চ্যাম্পিয়ন বাংলাদেশ : অভিনন্দন প্রধানমন্ত্রীরseparatorফ্লোরিডায় দূর্বত্তের হামলায় প্রবাসী বাংলাদেশী নারী নিহতseparatorনিউইয়র্কে ‘বাংলাদেশ ডে প্যারেড’ ১৭ মেseparatorনিউইয়র্কে গারবেজ ট্রাকের ধাক্কায় নিহত বাংলাদেশী তরুণীর জানাজা ও দাফন সম্পন্নseparatorআতিকুর রহমান ও বেদারুল ইসলাম বাবলা ফোবানার বোর্ড অফ ডিরেক্টর নির্বাচিতseparatorবাংলাদেশ এসোসিয়েশন অব ফ্লোরিডার ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠিতseparatorনাগরিকত্ব আইন সহজ করল কানাডা, সুবিধা পাবেন যারাseparatorমর্মান্তিকseparatorচলমান প্রেক্ষাপটেও নিরাপদ ও সহজে বাংলাদেশ ভ্রমণের সুযোগ রয়েছে : শামসুদ্দীন বশিরseparatorশহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে কিশোরগঞ্জ ডিস্ট্রিক্ট এসোসিয়েশনের স্বাধীনতা দিবস পালনseparatorনতুন সাজে চালু হলো জ্যামাইকার ঘরোয়া রেষ্টুরেন্টseparatorপিলখানা হত্যাকাণ্ডের নেপথ্য কারণ এখন বোধগম্য : প্রধানমন্ত্রীseparatorপ্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপে অপহরণের এক ঘণ্টার মধ্যে স্কুলছাত্র উদ্ধারseparatorপাকিস্তানে ভালোবেসে ২২ বছরের তরুণীকে ৭০ বছরের বৃদ্ধের বিয়েseparatorবিয়ে করলেন নারী দলের ক্রিকেটার সুপ্তাseparatorলাগেজে মদের বোতলের খবর অস্বীকার করে মেহজাবীন চৌধুরীর স্ট্যাটাসseparator‘গ্যাংস্টার’ লুকে কলকাতায় শাকিব খান, শুটিংয়ের ছবি প্রকাশ্যেseparatorছবি-ভিডিও এআই দিয়ে তৈরি কি না, জানবেন যেভাবেseparatorইতালিতে সড়ক দুর্ঘটনায় আহত যুবকের মৃত্যুseparatorডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে রাখতে রোজায় কি পরিমাণ টকদই খাবেনseparatorতানিয়া বৃষ্টির মাথায় অস্ত্রোপচার, সবার কাছে দোয়া প্রার্থনাseparatorবিএনপি’র নিরঙ্কুস জয়ে যুক্তরাষ্ট্র বিএনপি’র নেতা-কর্মীদের আনন্দ মিছিলseparatorবাংলাদেশে ভালোবাসা দিবস এলো যেভাবেseparatorপ্রকাশ্যে চিত্রনায়িকা বুবলীর বেবিবাম্প, আবারও বাবা হচ্ছেন শাকিব খান!separatorকলম্বোয় ভারত-পাকিস্তান জ্বর: হোটেলের কক্ষ নেই, আকাশ ছুঁয়েছে ফ্লাইটের ভাড়াseparatorবিএনপি জয়ী হওয়ায় আশায় বুক বাঁধছেন কলকাতার ব্যবসায়ীরাseparatorবিভাজন নয়, জাতীয় ঐক্যই আমাদের শক্তিseparator১১ দলীয় জোটের বিক্ষোভের ডাকseparatorঅ্যাপ ব্যবহার না করলেও আপনার তথ্য সংগ্রহ করছে টিকটক, থামানোর উপায়separator‘আমাকে যারা বোরকা কিনতে বলেছিল, তাদের জন্যই এই ছবি’separatorবিশ্বকাপে অস্ট্রেলিয়াকে হারিয়ে জিম্বাবুয়ের চমকseparatorতারেক রহমানের মন্ত্রিসভায় আলোচনায় যারাseparatorমধ্যপ্রাচ্যে আরেকটি শক্তিশালী রণতরি পাঠাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রseparator২৯৭ আসনের আনুষ্ঠানিক ফল ঘোষণা, কোন দল কত পেলseparatorগণভোটে ‘হ্যাঁ’ জয়ী, ভোট পড়ল ৬০.২৬ শতাংশseparatorনিউইয়র্কে দুই দিনব্যাপী ৪র্থ ইউএসবিসিসিআই বিজনেস এক্সপো ও গ্লোবাল এসএমই ফেয়ার ২০২৫ সম্পন্নseparatorফিলাডেলফিয়ায় লোক উৎসব ২০২৫: প্রবাসে বাংলার লোকঐতিহ্যের রঙে এক মনোমুগ্ধকর সন্ধ্যাseparatorরাশিয়াকে ভূখণ্ড ছেড়ে দেয়ার বিষয়টিই মার্কিন শান্তি পরিকল্পনার প্রধান সমস্যাseparatorদেশবাসীর কাছে দোয়া চাইলেন বেগম খালেদা জিয়াseparatorবলিউডের কিংবদন্তি অভিনেতা ধর্মেন্দ্র মারা গেছেনseparatorসুপার ওভারে বাংলাদেশের স্বপ্নভঙ্গ, রেকর্ড তৃতীয়বার চ্যাম্পিয়ন পাকিস্তান

এলএনজি-এলপিজি নিয়ে দেশে আসছে আরও ৫ জাহাজ

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ১০ এপ্রিল, ২০২৬, ৬:০২ পূর্বাহ্ণ
এলএনজি-এলপিজি নিয়ে দেশে আসছে আরও ৫ জাহাজ

মধ্যপ্রাচ্যে সাম্প্রতিক যুদ্ধবিরতির পর জ্বালানি সরবরাহের ওপর চাপ কিছুটা কমার ইঙ্গিত মিলছে। আগামী ১৫ এপ্রিলের মধ্যে দেশে তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) ও তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাস (এলপিজি) নিয়ে অন্তত পাঁচটি জাহাজ দেশে পৌঁছানোর কথা রয়েছে।

চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ ও সংশ্লিষ্ট শিপিং এজেন্টদের তথ্য অনুযায়ী, এসব চালানে মহেশখালীর ভাসমান টার্মিনালের জন্য এলএনজি এবং চট্টগ্রামের জন্য এলপিজি রয়েছে।

শুক্রবার (১০ এপ্রিল) মালয়েশিয়া থেকে ২ হাজার ৪৭০ টন এলপিজি নিয়ে ‘মর্নিং জেলি’ নামের একটি জাহাজ চট্টগ্রাম বন্দরে পৌঁছানোর কথা রয়েছে বলে জানিয়েছে বন্দর কর্তৃপক্ষ।

একই দিনে যুক্তরাষ্ট্র থেকে প্রায় ৬৯ হাজার টন এলএনজি নিয়ে ‘ইএমইআই’ নামের আরেকটি জাহাজ মহেশখালীর ভাসমান স্টোরেজ ও রিগ্যাসিফিকেশন ইউনিটে (এফএসআরইউ) পৌঁছাবে।

এরপর ১১ এপ্রিল ‘কংটং’ নামের আরেকটি এলএনজি জাহাজ একই পরিমাণ কার্গো নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র থেকে আসার কথা রয়েছে। ১৩ এপ্রিল মালয়েশিয়া থেকে এলপিজি নিয়ে ‘পল’ নামের একটি জাহাজ চট্টগ্রাম বন্দরের বহির্নোঙরে পৌঁছাবে। আর ১৫ এপ্রিল অস্ট্রেলিয়া থেকে ৬৪ হাজার ৬৭৮ টন এলএনজি নিয়ে ‘ম্যারান গ্যাস হাইড্রা’ আসার সম্ভাবনা রয়েছে।

চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের সচিব সৈয়দ রেফায়েত হামিম বলেন, পাঁচটি জাহাজই বর্তমানে সমুদ্রপথে রয়েছে এবং জ্বালানি সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে এসব জাহাজের বার্থিংকে অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে।

এর আগে বুধবার রাতে মালয়েশিয়া থেকে ২৬ হাজার টন অকটেন নিয়ে ‘এমটি সেন্ট্রাল স্টার’ নামের একটি ট্যাংকার চট্টগ্রাম বন্দরের বহির্নোঙরে পৌঁছায় এবং পরে পতেঙ্গার ডলফিন জেটিতে ভেড়ে। একই সময়ে মালয়েশিয়া থেকে হাই সালফার ফুয়েল অয়েল নিয়ে ‘ইস্টার্ন কুইন্স’ নামের আরেকটি ট্যাংকারও বন্দরের বহির্নোঙরে আসে।

রূপান্তরিত প্রাকৃতিক গ্যাস কোম্পানি লিমিটেডের (আরপিজিসিএল) উপ-মহাব্যবস্থাপক প্রকৌশলী মোহাম্মদ সাইফুল্লাহ কবির জানান, চলতি মাসে মোট নয়টি এলএনজি জাহাজ আসার কথা রয়েছে। ইতোমধ্যে দুটি জাহাজ এসে খালাস কার্যক্রম চলছে। প্রতিটি জাহাজ সাধারণত ৬৯ থেকে ৭০ হাজার টন গ্যাস বহন করে।

আরপিজিসিএল সূত্রে জানা যায়, গত মার্চ মাসে বিভিন্ন দেশ থেকে আটটি জাহাজে করে প্রায় ৬ লাখ টন এলএনজি আমদানি করা হয়েছে, যা দেশের জ্বালানি সরবরাহে চাপ কমাতে সহায়ক হয়েছে।

মিয়ানমারের প্রেসিডেন্ট হিসেবে শপথ নিলেন জান্তাপ্রধান মিন অং হ্লাইং

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ১০ এপ্রিল, ২০২৬, ৭:৪৭ পূর্বাহ্ণ
মিয়ানমারের প্রেসিডেন্ট হিসেবে শপথ নিলেন জান্তাপ্রধান মিন অং হ্লাইং

মিয়ানমারের সামরিক জান্তাপ্রধান মিন অং হ্লাইং দেশের নতুন প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন। পাঁচ বছর আগে রক্তক্ষয়ী অভ্যুত্থানের মাধ্যমে ক্ষমতা দখলের পর এখন তিনি বেসামরিক পদমর্যাদায় নিজের কর্তৃত্ব সুসংহত করলেন। আজ শুক্রবার দেশটির রাজধানী নেপিদোর পার্লামেন্টে আয়োজিত এক বিশেষ অনুষ্ঠানে তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে শপথ নেন।

২০২১ সালে মিন অং হ্লাইংয়ের নেতৃত্বে এক সামরিক অভ্যুত্থানে মিয়ানমারের নির্বাচিত নোবেল শান্তি পুরস্কারজয়ী নেত্রী অং সান সু চির সরকারকে উৎখাত করা হয়। ওই সময় থেকেই দেশজুড়ে সংঘাত ও গৃহযুদ্ধ শুরু হয় এবং নেত্রী সু চিকে কারাবন্দী করা হয়। দীর্ঘ শাসনের পর গত জানুয়ারিতে দেশটিতে নির্বাচনের আয়োজন করা হলেও তাতে প্রধান বিরোধী দলগুলো অংশ নেয়নি। ফলে সামরিক বাহিনীর ঘনিষ্ঠ রাজনীতিবিদেরা জয়ী হয়ে মিন অং হ্লাইংয়ের প্রেসিডেন্ট হওয়ার পথ সুগম করেন।

রাষ্ট্রপ্রধান হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার আগে মিন অং হ্লাইং শীর্ষ জেনারেলের পদ থেকে সরে দাঁড়ান। শপথ গ্রহণ শেষে দেওয়া ভাষণে ৬৯ বছর বয়সী হ্লাইং বলেন, ‘মিয়ানমার গণতন্ত্রের পথে ফিরে এসেছে এবং একটি ভালো ভবিষ্যতের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে।’ তবে তার নতুন মন্ত্রিসভার ৩০ জন সদস্যের দুই-তৃতীয়াংশই সামরিক বাহিনীর কর্মকর্তা, যাদের অনেকের ওপর আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞা জারি রয়েছে।

শপথ অনুষ্ঠানকে ঘিরে নেপিদোতে ব্যাপক নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়। এই উপলক্ষে সু চির প্রশাসনের কিছু কর্মকর্তাসহ কয়েকজন রাজনৈতিক বন্দীকে মুক্তি দেওয়া হয়েছে এবং চাকরিচ্যুত কর্মীদের কাজে ফেরার আহ্বান জানানো হয়েছে। যদিও সমালোচকরা একে স্রেফ লোক দেখানো পদক্ষেপ হিসেবে দেখছেন। তবে মিন অং হ্লাইং দাবি করেছেন, তার সরকার ‘সামাজিক পুনর্মিলন, ন্যায়বিচার ও শান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য প্রয়োজন বিবেচনায় সাধারণ ক্ষমা দেবে’।

নিজের ভাষণে হ্লাইং একবারও সু চির নাম উচ্চারণ করেননি, যিনি বর্তমানে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত মামলায় ২৭ বছরের কারাদণ্ড ভোগ করছেন। বিভিন্ন মানবাধিকার সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, ২০২১ সালের অভ্যুত্থানের পর থেকে মিয়ানমারের কারাগারগুলোতে ২২ হাজারেরও বেশি মানুষ বন্দী রয়েছেন।

চলতি অর্থবছরে বাংলাদেশের প্রবৃদ্ধি হবে ৪ শতাংশ: এডিবি

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ১০ এপ্রিল, ২০২৬, ৭:৩২ পূর্বাহ্ণ
চলতি অর্থবছরে বাংলাদেশের প্রবৃদ্ধি হবে ৪ শতাংশ: এডিবি

এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক (এডিবি) চলতি অর্থবছরে বাংলাদেশে ৪ শতাংশ অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি  হবে বলে অনুমান করেছে। একই সঙ্গে সংস্থাটি বলেছে, মধ্যপ্রাচ্যে সংঘাতের প্রভাব ধীরে ধীরে কমে যাবে।

শুক্রবার প্রকাশিত এডিবির এশিয়ান ডেভেলপমেন্ট আউটলুকে (এডিও) এমন প্রাক্কলন রয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়, ২০২৪-২০২৫ অর্থবছরে ৩.৫ শতাংশ প্রবৃদ্ধির পর বাংলাদেশে মোট দেশজ উৎপাদন (জিডিপি) চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরে ৪.০ শতাংশ এবং আাগামী  অর্থবছরে ৪.৭ শতাংশ হারে বাড়বে বলে পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে।

এই পূর্বাভাসে ভোগব্যয় ও বিনিয়োগের পুনরুদ্ধার প্রতিফলিত হয়েছে, যা সাধারণ নির্বাচনের পর রাজনৈতিক অনিশ্চয়তা কমে আসার ফলে সম্ভব হয়েছে। মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাতজনিত অস্থায়ী সরবরাহ শৃঙ্খল বিঘ্ন গত ত্রৈমাসিকে অর্থনৈতিক কার্যক্রমকে প্রভাবিত করলেও, এর প্রভাব ধীরে ধীরে কমে যাবে বলে আশা করা হচ্ছে।

এডিবির কান্ট্রি ডিরেক্টর হো ইউন জিয়ং বলেন, ‘বাংলাদেশ বর্তমানে একটি কঠিন অর্থনৈতিক পরিস্থিতির মুখোমুখি, যা বৈশ্বিক অনিশ্চয়তা, অভ্যন্তরীণ কাঠামোগত সীমাবদ্ধতা এবং বহির্বাণিজ্য ও আর্থিক খাতের চাপ দ্বারা প্রভাবিত।’

তিনি আরও বলেন, ‘নতুন সরকারের সংস্কার কর্মসূচি সামষ্টিক অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা জোরদার, বেসরকারি খাতের আস্থা পুনরুদ্ধার এবং অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধারে সহায়তার জন্য একটি সময়োপযোগী সুযোগ তৈরি করেছে। যথাযথ নীতি ও ধারাবাহিক সংস্কারের মাধ্যমে অর্থনীতি আরও স্থিতিস্থাপক হবে এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক প্রবৃদ্ধির পথে ফিরে যেতে পারবে।’

প্রতিবেদনে বলা হয়, চলতি অর্থবছরে মূল্যস্ফীতি ৯.০ শতাংশের কাছাকাছি উচ্চ অবস্থানে থাকবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এর পেছনে রয়েছে উচ্চ বৈশ্বিক জ্বালানি মূল্য এবং চলমান সরবরাহ বিঘ্ন। আগামী অর্থবছরে এটি কিছুটা কমে ৮.৫ শতাংশে নেমে আসবে বলে আশা করা হচ্ছে। কারণ বাহ্যিক চাপ কমবে এবং অভ্যন্তরীণ সরবরাহ পরিস্থিতির উন্নতি হবে।

এডিবির মনে করছে, চলতি হিসাবের ঘাটতি অর্থবছরে জিডিপির ০.৫ শতাংশ হবে, যা আগামী অর্থবছরে সামান্য বেড়ে ০.৬ শতাংশ হতে পারে। এর প্রধান কারণ হবে আমদানি বৃদ্ধি এবং বাণিজ্য ঘাটতির প্রসার। তবে মধ্যপ্রাচ্যের উত্তেজনা থাকা সত্ত্বেও প্রবাসী আয়ের প্রবাহ স্বল্পমেয়াদে স্থিতিশীল থাকবে বলে আশা করা হচ্ছে।

এডিও অনুযায়ী ভোগ ও বিনিয়োগে মাঝারি প্রবৃদ্ধি দেখা যাবে, যা শক্তিশালী রেমিট্যান্স প্রবাহ এবং নির্বাচন-পরবর্তী সরকারি ব্যয়ের মাধ্যমে সমর্থিত হবে। পাশাপাশি বিনিয়োগ বাড়ানো এবং ব্যবসা সহজীকরণের লক্ষ্যে সরকারের উদ্যোগও এতে সহায়ক হবে।

সরবরাহ দিক থেকে সেবা খাত পুনরুদ্ধার হবে বলে আশা করা হচ্ছে, যা গৃহস্থালির ক্রয়ক্ষমতা বৃদ্ধি, সামাজিক সুরক্ষা ব্যয় বৃদ্ধি এবং আর্থিক খাতের সংস্কারের মাধ্যমে ত্বরান্বিত হবে। অনুকূল আবহাওয়া ও নীতিগত সহায়তা অব্যাহত থাকলে কৃষি উৎপাদন স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে আসবে। রপ্তানি বৃদ্ধি, সরবরাহ বাধা কমে আসা এবং অবকাঠামো ও জ্বালানি খাতে সরকারের জোর দেওয়ার ফলে শিল্প খাতেও প্রবৃদ্ধি বাড়বে।

তবে ঝুঁকি এখনও রয়ে গেছে, বিশেষ করে যদি সংঘাত দীর্ঘস্থায়ী হয়। বৈশ্বিক জ্বালানি বাজার, শিপিং রুট এবং সরবরাহ শৃঙ্খলে বিঘ্ন ঘটলে তেল ও গ্যাসের দাম বাড়তে পারে, যা দেশের অভ্যন্তরে মুদ্রাস্ফীতির চাপ আরও বাড়াবে এবং অর্থনৈতিক নীতিনির্ধারণকে জটিল করে তুলবে।

এডিবি মনে করে, উচ্চ জ্বালানি মূল্য বাজেট ঘাটতিও বাড়াতে পারে, বিশেষ করে যদি জ্বালানি ভর্তুকি বাড়ানো হয় বা মূল্য সমন্বয় সঠিকভাবে না করা হয়।

পহেলা বৈশাখ উপলক্ষে ডিএমপির নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ১০ এপ্রিল, ২০২৬, ৬:০৮ পূর্বাহ্ণ
পহেলা বৈশাখ উপলক্ষে ডিএমপির নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার

পহেলা বৈশাখ উদযাপন উপলক্ষে রাজধানীতে নিরাপত্তা ও ট্রাফিক ব্যবস্থা জোরদার করেছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি)।

এ বছর গোয়েন্দা সংস্থাসহ সব নিরাপত্তা বাহিনীর সঙ্গে সমন্বয় করে নিরাপত্তা দেওয়া হবে নগরবাসীকে। বাংলা নববর্ষ ১৪৩৩ উদযাপন উপলক্ষে রমনা পার্ক, সোহরাওয়ার্দী উদ্যান, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসি, ধানমন্ডি রবীন্দ্র সরোবর ও হাতিরঝিল এলাকাসহ ঢাকা মহানগরীর বিভিন্ন স্থানে দিনব্যাপী অনুষ্ঠান হবে। খবর বাসসের।

বাংলা নববর্ষকে ঘিরে গত বুধবার ডিএমপি সম্মেলন কক্ষে এক সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন ডিএমপির ভারপ্রাপ্ত কমিশনার মো. সরওয়ার।

এতে ডিএমপির পক্ষ থেকে পুলিশকে যে কোনো পরিস্থিতি মোকাবিলায় প্রস্তুত থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। মো. সরওয়ার বলেন, বাংলা নববর্ষ উদযাপন উপলক্ষে ঢাকা মহানগরীতে বিভিন্ন অনুষ্ঠান হবে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ওপর জনগণের যে আস্থা সেটি দায়িত্বশীলতার সঙ্গে পালন করতে হবে।

পহেলা বৈশাখ উদযাপন উপলক্ষে নববর্ষের শোভাযাত্রায় অংশগ্রহণকারীগণ মুখোশ পরে শোভাযাত্রায় অংশগ্রহণ করতে পারবে না। তবে মুখোশ হাতে নিয়ে বহন করা যাবে। প্রদর্শনীর জন্য তৈরি মুখোশ এমনভাবে প্রদর্শন করা যাবে না, যাতে মুখ ঢেকে থাকে। মিছিলে অংশগ্রহণকারীদের শুরুতেই যোগ দিতে হবে। মিছিল শুরুর পর মাঝপথে কেউ প্রবেশ করতে পারবে না।

বিজ্ঞাপনী স্টিকার বহন করে বৈশাখী শোভাযাত্রায় অংশগ্রহণ না করা, শোভাযাত্রায় অংশগ্রহণের ক্ষেত্রে চারুকলা ইনস্টিটিউটের স্বেচ্ছাসেবক, আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য এবং রোভার স্কাউট সদস্যদের পরামর্শ মেনে চলা, সন্দেহজনক কোন ব্যক্তি বা বস্তু পরিলক্ষিত হলে তাৎক্ষণিক নিকটস্থ পুলিশকে অবহিত করা এবং সন্ধ্যা ৬টার মধ্যে রবীন্দ্র সরোবর, রমনা পার্ক ও সোহরাওয়ার্দী উদ্যানসহ সব উন্মুক্ত স্থানের অনুষ্ঠান সমাপ্ত করতে হবে। বিকেল ৫টার পর এসব এলাকায় নতুন করে কোনো জনসাধারণ প্রবেশ করতে পারবে না।

ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি) মিডিয়া ও পাবলিক রিলেশন্স বিভাগের উপ-কমিশনার এন এম নাসিরুদ্দিন বলেন, নিরাপত্তার স্বার্থে হ্যান্ড ব্যাগ, ট্রলি ব্যাগ, বড় ভ্যানিটি ব্যাগ, দাহ্য পদার্থ, ছুরি, অস্ত্র, কাঁচি, পটকা, ক্ষতিকারক তরল, ব্লেড, দিয়াশলাই, গ্যাসলাইট ইত্যাদি বহন থেকে বিরত থাকার জন্য নগরবাসীদের অনুরোধ করা হয়েছে।

ডিএমপি জানিয়েছে, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা অনুষদে ‘বৈশাখী শোভাযাত্রা’র নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কঠোর নজরদারি থাকবে। নিরাপত্তার স্বার্থে ফানুস উড়ানো, আতশবাজি ফুটানো, গ্যাস বেলুন ও ভুভুজেলা বাঁশি বাজানো সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ করা হয়েছে। এছাড়া ৩০০ ফিট এলাকায় মোটরসাইকেল বা কার রেসিং বন্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। রমনা বটমূল, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ও গুরুত্বপূর্ণ স্থানে ডগ স্কোয়াড দিয়ে সুইপিং করা হবে। এছাড়া গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে ওয়াচ টাওয়ার, সিসি ক্যামেরা এবং পর্যাপ্ত আর্চওয়ে থাকবে। ইভটিজিং, ছিনতাই ও পকেটমার রোধে সাদা পোশাকে গোয়েন্দা নজরদারি এবং নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের নেতৃত্বে মোবাইল কোর্ট পরিচালিত হবে।

কোনো কারণে পুলিশের সহযোগিতা প্রয়োজন হলে রমনা পার্ক, সোহরাওয়ার্দী উদ্যান, রবীন্দ্র সরোবর ও হাতিরঝিল এলাকায় অবস্থিত সাব-কন্ট্রোলরুম, কেন্দ্রীয় পুলিশ কন্ট্রোলরুম, রমনা, শাহবাগ, ধানমন্ডি, রামপুরা, বাড্ডা, গুলশান ও তেজগাঁও শিল্পাঞ্চল থানায় যোগাযোগ করার অনুরোধ করা হয়েছে। প্রয়োজনে ৯৯৯ নম্বরে ফোন করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

নিরাপত্তার স্বার্থে ঢাকা মহানগরীতে ব্যারিকেড ও আর্চওয়ে ব্যবস্থাপনায় নিয়োজিত পুলিশকে দায়িত্ব পালনে সহযোগিতা করার জন্য সর্বসাধারণের প্রতি ডিএমপির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।

শিক্ষাসহ সব খবর সবার আগে জানতে দৈনিক আমাদের বার্তার ইউটিউব চ্যানেলের সঙ্গেই থাকুন। ভিডিয়োগুলো মিস করতে না চাইলে এখনই দৈনিক আমাদের বার্তার ইউটিউব চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করুন এবং বেল বাটন ক্লিক করুন। বেল বাটন ক্লিক করার ফলে আপনার স্মার্ট ফোন বা কম্পিউটারে স্বয়ংক্রিয়ভাবে ভিডিয়োগুলোর নোটিফিকেশন পৌঁছে যাবে।