খুঁজুন
বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ৩ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
লোড হচ্ছে...
নিউজ লোড হচ্ছে...
শিরোনাম:
দেশের একমাত্র তেল শোধনাগার চালু আছে, জানাল মন্ত্রণালয়separatorতুরস্কের স্কুলে এলোপাতাড়ি গুলিতে শিক্ষক-শিক্ষার্থীসহ নিহত ৯separatorঅসহ্য গরমে সুস্থ থাকতে কী খাবেন, কী খাবেন নাseparatorআল্লু-দীপিকার সিনেমায় বলিউড বাদশার চমকseparatorচুক্তিবদ্ধ হয়েও অনেক সিনেমা থেকেই বাদ পড়েছি: প্রিয়াঙ্কাseparatorঅ্যারেনায় ৪-৩ গোলে রিয়ালকে হারিয়ে সেমিতে বায়ার্নseparatorগোলশুন্য ড্র করেও সেমিতে আর্সেনালseparatorদুই হাজার কর্মী ছাঁটাই করতে যাচ্ছে বিবিসিseparatorমধ্যপ্রাচ্যে আরও কয়েক হাজার সেনা পাঠাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রseparatorপ্রধানমন্ত্রী স্বাধীনতা পদক হস্তান্তর করবেন আজseparatorনিষেধাজ্ঞা অমান্য করে যুক্তরাজ্য থেকে ইসরায়েলে পাঠানো অস্ত্র জব্দ করলো বেলজিয়ামseparatorহরমুজে জাহাজ চলাচল নিয়ে নতুন প্রস্তাব ইরানেরseparatorনিউইয়র্ক মহানগর (উত্তর) বিএনপি’র উদ্যোগে স্বাধীনতা দিবস পালিতseparatorক্ষেপণাস্ত্র ছুড়ল রাশিয়া, হতাহতের সংখ্যা অন্তত ৩২separatorরুবেল হোসেনের আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে অবসরের ঘোষণাseparatorট্রাম্পকে ক্ষমতা থেকে সরাতে ডেমোক্রেটদের উদ্যোগseparator৬ লাখ ফলোয়ারের পেজ বন্ধে কাদেরকে দুষলেন ফারুক আহমেদseparator‘রামায়ণ’ মুক্তির আগেই চমক দিলেন প্রযোজকseparator‘টাইম’র ১০০ প্রভাবশালী ব্যক্তিত্বের তালিকায় তারেক রহমানseparatorজনগণকে ‘ই-হেলথ কার্ড’ দেওয়ার উদ্যোগ, শুরুতে ৫ জেলা : প্রধানমন্ত্রীseparatorফাঁদে ফেলে দুই মাসে ১৩ ধর্ষণ, অভিযুক্ত রাব্বি গ্রেপ্তারseparatorদুই লাখ টন তেল নিয়ে দুটি জাহাজ বন্দরে নোঙর করেছে : সংসদে চিফ হুইপseparatorসব ট্রেনে বসছে স্টারলিংক ইন্টারনেট, বাস-ফেরিতেও চালুর পরিকল্পনাseparatorএক মাসে হাম ও হাম সন্দেহে ১৯৮ শিশুর মৃত্যুseparatorইরানকে অস্ত্র না দিতে শি জিন পিংকে ট্রাম্পের চিঠিseparatorইরানের সঙ্গে যুদ্ধবিরতির মেয়াদ বাড়ানোর পরিকল্পনা নেই: ট্রাম্পseparatorউন্নয়ন অংশীদারদের কাছে ২০০ কোটি ডলার সহায়তা চাইলেন প্রধানমন্ত্রীseparatorযুক্তরাষ্ট্র-ইরানের আলোচনা নিয়ে যা বললেন জাতিসংঘের মহাসচিবseparatorআগামী ২ মাসেও জ্বালানির সংকট হবে না : যুগ্মসচিবseparatorনানক-তাপসসহ ২৮ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের শুনানি আজseparatorজ্বালানি সাশ্রয়ে সরকারের নতুন নির্দেশনা মন্ত্রিপরিষদ বিভাগেরseparatorমালদ্বীপে ১০ তলা ভবনের ছাদ থেকে পড়ে প্রাণ গেল প্রবাসী হানজালারseparatorভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড বিজেপির একটি শাখা: মোস্তাফিজ ইস্যুতে কঠোর সমালোচনা উইজডেনেরseparatorফেসবুকে রিলস-পোস্ট শেয়ার করে মাসে ৩০০০ ডলার আয়separatorশিশু যৌন নিপীড়ন মামলায় মেটাকে ৩৭৫ মিলিয়ন ডলার জরিমানাseparator‘ডিম-মাছ খেলেই মনে হচ্ছে প্রাণী হত্যা করছি’separatorরণবীর-দীপিকার বিচ্ছেদের গুঞ্জন, মুখ খুলছেন না কেউseparatorজিতেও বিদায় বার্সেলোনার, সেমিফাইনালে অ্যাতলেতিকোseparator৫ লাখ অভিবাসীকে বৈধতা দিচ্ছে স্পেনseparatorভয়াবহ মন্দার ঝুঁকিতে বিশ্ব অর্থনীতি : আইএমএফseparatorদ্বিগুণ হচ্ছে শিক্ষকদের উৎসব ভাতাseparatorদেম্বেলের জোড়া গোল, লিভারপুলকে হারিয়ে সেমিতে পিএসজিseparatorআন্দামান সাগরে নৌকাডুবি, ২৫০ বাংলাদেশি-রোহিঙ্গা নিখোঁজseparatorসারা দেশে প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষা শুরু আজseparatorঢাকায় পহেলা বৈশাখের উদযাপন ছিল সত্যিই অসাধারণ : রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেনseparatorকানাডায় ফেডারেল এমপি হলেন বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত ডলি বেগমseparatorইন্টারনেট সেবার বাইরে দেশের ৪১.৬% মানুষseparator২ কোটি ৭৫ লাখ কৃষককে কার্ড দেওয়া হবে : প্রধানমন্ত্রীseparatorমধ্যপ্রাচ্যে শান্তি নিশ্চিত করতে ৪ দফা প্রস্তাব করলো চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংseparatorসিনারের দাপট, আলকারাজকে হারিয়ে আবারও বিশ্বসেরাseparatorওয়ানডে ও টি-টোয়েন্টি খেলতে ঢাকায় নিউজিল্যান্ড দলseparatorটাঙ্গাইলের পথে প্রধানমন্ত্রী, উদ্বোধন করবেন ‘কৃষক কার্ড’separatorদ্বিতীয় দফায় বৈঠকে বসতে যাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র-ইরানseparatorবর্ণিল আয়োজনে রমনা বটমূলে বাংলা নববর্ষ ১৪৩৩ বরণseparatorবাংলা বছরের শেষদিন— চৈত্র সংক্রান্তি আজseparatorদেশে হাম ও উপসর্গে প্রাণ গেল আরও ৭ শিশুরseparatorপ্রধানমন্ত্রীর নতুন বাসভবনে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে থাকছে টানেল ও বাংকারseparatorইরানে আবার হামলা চালানোর কথা ভাবছেন ট্রাম্পseparatorবিশ্বকাপের আগে আর্জেন্টিনার কপালে দুশ্চিন্তার ভাঁজseparatorমালয়েশিয়া থেকে ২৮ বাংলাদেশিসহ ১৭৫ অভিবাসী ফেরতseparatorআগামী সপ্তাহে চিকিৎসা ও বাণিজ্যিক ভিসা চালু করছে ভারতseparatorঅস্ট্রেলিয়ার ইতিহাসে প্রথম নারী সেনাপ্রধান সুসান কোয়েলseparatorনববর্ষ পালনে নিরাপত্তা ঝুঁকি নেই, তবুও প্রস্তুত ‌‘স্পেশাল কমান্ডো ফোর্স’separatorপ্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে টেলিনর সিইও’র সাক্ষাৎseparatorহরমুজ প্রণালী দিয়ে বাংলাদেশি জাহাজ চলাচলের সুবিধা দিতে ইরা‌নকে অনুরোধseparatorহজ ভিসা নিয়ে সৌদি আরবের নতুন সিদ্ধান্তseparatorদীর্ঘ বিরতির পর মঞ্চে ফিরছেন জাস্টিন বিবারseparatorডেভেলপার টুলে নিরাপত্তা ত্রুটি পেলেও নিরাপদ চ্যাটজিপিটিseparatorহোয়াটসঅ্যাপের বিকল্প ‘এক্সচ্যাট’ আনলেন ইলন মাস্কseparatorবোল্টের চেয়েও দ্রুততম, ২০০ মিটারে রেকর্ড গড়লেন ১৮ বছরের এক অস্ট্রেলিয়ানseparatorবিশ্ব বাজারে আবার বাড়ল জ্বালানি তেলের দামseparatorইরানের বন্দরগুলোতে মার্কিন অবরোধ কার্যকর হচ্ছে আজ থেকেseparatorনিউইয়র্কে আব্দুল আলীম স্মৃতি পরিষদ গঠিতseparatorনিউইয়র্ক থেকে শীঘ্রই কমিউনিটিতে আসছে ‘সিটিভি’separatorনিউইয়র্কের জ্যামাইকায় মাহিন কালেকশনে চলছে বৈশাখী মেলাseparatorফার্নেস অয়েলের দাম বাড়ল লিটার প্রতি ২৪ টাকা ৫৯ পয়সাseparatorডোপ টেস্টে পজিটিভ, নিষিদ্ধ ভারোত্তোলক মাবিয়াseparatorমাঠে নেইমারের ছোঁয়া, জয়ে ফিরল সান্তোসseparatorহাইতিতে ঐতিহাসিক দুর্গে পদদলিত হয়ে ৩০ জনের প্রাণহানিseparatorমানহানির মামলা করলেন হানসিকাseparatorচৈত্রসংক্রান্তি ও বাংলা নববর্ষে শিল্পকলায় ৫ দিনব্যাপী কর্মসূচিseparatorহত্যাচেষ্টা মামলায় সাবেক স্পিকার শিরীন চৌধুরীর জামিনseparatorকিংবদন্তি গায়িকা আশা ভোঁসলে আর নেইseparatorসশস্ত্র বাহিনী স্বাধীন রাষ্ট্রের শক্তি, মর্যাদার প্রতীক: প্রধানমন্ত্রীseparatorরোনালদোর গোলে শিরোপার আরও কাছে আল-নাসরseparatorহরমুজে যুদ্ধজাহাজ মোতায়েনের দাবি যুক্তরাষ্ট্রেরseparatorআজ থেকে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে অনলাইন ক্লাস শুরুseparatorআজ ৪ সিটিতে দেয়া হচ্ছে হামের টিকাseparatorফুটবল বিশ্বকাপের টিকিটে আরও দামি ক্যাটাগরি যোগseparatorবৈসাবি উৎসব উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রীর শুভেচ্ছা ও অভিনন্দনseparatorইরান-যুক্তরাষ্ট্র আলোচনা ব্যর্থ, কোনো চুক্তি ছাড়াই ফিরছেন জেডি ভ্যান্সseparatorইরান-যুক্তরাষ্ট্র-পাকিস্তানের মধ্যে প্রথমদিনের আলোচনা শেষseparatorমুক্তির আগেই ফাঁস বিজয়ের ৫০০ কোটি রুপির সিনেমার এইচডি প্রিন্টseparatorইসলামাবাদে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের আলোচনা শুরুseparatorইতিহাস গড়ে ঘরে ফিরলেন ৪ নভোচারীseparatorভারত থেকে পাইপলাইনে এলো আরও ৮ হাজার টন জ্বালানি তেলseparatorভূমিকম্পের ৯০ সেকেন্ড আগে সতর্ক করবে ইব্রাহিম মোল্লার ‘ভুবন’ অ্যাপseparatorমোবাইলে যেসব অ্যাপ ইন্সটলে ফাঁসতে পারেন সাইবার প্রতারণায়separatorলন্ডনে যাচ্ছে রায়হান রাফীর ‘প্রেশার কুকার’separatorমোজতবা খামেনির মুখমণ্ডল বিকৃত হয়েছে, ‘হারিয়েছেন পা’

টাঙ্গাইলের পথে প্রধানমন্ত্রী, উদ্বোধন করবেন ‘কৃষক কার্ড’

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৪ এপ্রিল, ২০২৬, ১:৫৯ পূর্বাহ্ণ
টাঙ্গাইলের পথে প্রধানমন্ত্রী, উদ্বোধন করবেন ‘কৃষক কার্ড’

পহেলা বৈশাখের উৎসবমুখর দিনে কৃষকদের জন্য বিশেষ উপহার নিয়ে টাঙ্গাইল সফরে গিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সফরের মূল লক্ষ্য হচ্ছে সরকারের অন্যতম নির্বাচনি প্রতিশ্রুতি হিসেবে ‘কৃষক কার্ড’ বিতরণ কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা।

মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে রাজধানীর গুলশানের বাসভবন থেকে সড়কপথে তার বিশেষ গাড়ি বহর টাঙ্গাইলের উদ্দেশ্যে রওনা হয়।

প্রধানমন্ত্রীর এই সফরকে কেন্দ্র করে টাঙ্গাইল জেলা জুড়ে উৎসবের আমেজ বিরাজ করছে এবং নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। টাঙ্গাইলের শহিদ মারুফ স্টেডিয়ামে আয়োজিত এক বিশাল জনসভায় এই কার্যক্রমের সূচনা করবেন প্রধানমন্ত্রী। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি সদর উপজেলার সুরুজ এলাকার কৃষকদের হাতে প্রতীকীভাবে এই আধুনিক ‘কৃষক কার্ড’ তুলে দেবেন।

সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এই কার্ডটি কৃষকদের জন্য একটি ডিজিটাল পরিচয়পত্র হিসেবে কাজ করবে। এর মাধ্যমে কৃষকরা সরাসরি সরকারি প্রণোদনা, সার-বীজের ভর্তুকি এবং অন্যান্য আর্থিক সহায়তা কোনো মধ্যস্বত্বভোগী ছাড়াই সরাসরি গ্রহণ করতে পারবেন। ফলে কৃষি খাতের দুর্নীতি রোধ এবং প্রান্তিক কৃষকদের ক্ষমতায়ন আরও সুদৃঢ় হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

বর্তমান প্রশাসনের পক্ষ থেকে এই উদ্যোগটিকে একটি যুগান্তকারী পদক্ষেপ হিসেবে অভিহিত করা হয়েছে। এর আগে সরকার সফলভাবে ‘ফ্যামিলি কার্ড’, ‘ক্রীড়া কার্ড’ এবং দেশব্যাপী খাল খনন কর্মসূচি চালু করেছে, যা সামাজিক ও অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে ব্যাপক পরিবর্তন আনতে সক্ষম হয়েছে।

সংশ্লিষ্ট মহলের মতে, নতুন এই কৃষক কার্ড প্রবর্তনের ফলে বাংলাদেশের কৃষি ব্যবস্থাপনায় আমূল পরিবর্তন আসবে এবং তথ্যপ্রযুক্তির ব্যবহারের মাধ্যমে প্রকৃত কৃষকদের কাছে রাষ্ট্রীয় সুবিধা পৌঁছে দেওয়া আরও সহজতর হবে। এই প্রকল্পের মাধ্যমে বর্তমান সরকার তাদের উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডের ধারাবাহিকতা বজায় রাখার পাশাপাশি কৃষি বিপ্লবকে এক নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাওয়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছে।

দেশের একমাত্র তেল শোধনাগার চালু আছে, জানাল মন্ত্রণালয়

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল, ২০২৬, ১:৩৩ পূর্বাহ্ণ
দেশের একমাত্র তেল শোধনাগার চালু আছে, জানাল মন্ত্রণালয়

কাঁচামালের ঘাটতিতে দেশের একমাত্র রাষ্ট্রীয় জ্বালানি তেল শোধনাগার ইস্টার্ন রিফাইনারি লিমিটেড (ইআরএল) বন্ধ হয়ে যাওয়ার খবর বিভিন্ন মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লেও বাস্তবে প্রতিষ্ঠানটি লো-ফিড বা সীমিত পরিসরে উৎপাদন চালিয়ে যাচ্ছে। মধ্যপ্রাচ্যের বর্তমান যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে অপরিশোধিত তেলের জাহাজ পৌঁছাতে দেরি হওয়ায় এই সাময়িক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। বুধবার এক সংবাদ সম্মেলনে জ্বালানি মন্ত্রণালয়ের যুগ্মসচিব মনির হোসেন চৌধুরী বিষয়টি স্পষ্ট করেন। তিনি বলেন, রিফাইনারিটি পুরোপুরি বন্ধ হয়নি এবং দেশে জ্বালানি তেলের সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে সরকার বিকল্প সব ব্যবস্থা নিশ্চিত করেছে।

মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ২০২৬ সালের মার্চ মাসের জন্য নির্ধারিত অপরিশোধিত তেলের চালানটি সময়মতো না আসায় বর্তমানে ইআরএল-এর উৎপাদন কমিয়ে আনা হয়েছে। তবে এই পরিস্থিতিতে সরকার পূর্বপরিকল্পনা অনুযায়ী পরিশোধিত জ্বালানি তেল আমদানি অব্যাহত রেখেছে। নিয়মিত আমদানির পাশাপাশি আপদকালীন সংকট মোকাবিলায় সরাসরি ক্রয় পদ্ধতি অনুসরণ করে বিদেশ থেকে পরিশোধিত তেল আনার বিশেষ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে, যাতে দেশের বাজারে কোনো ধরনের নেতিবাচক প্রভাব না পড়ে।

যুগ্মসচিব মনির হোসেন চৌধুরী তাঁর বক্তব্যে দেশবাসীকে আশ্বস্ত করে বলেন, আন্তর্জাতিক পরিস্থিতির কারণে অপরিশোধিত তেলের কিছুটা স্বল্পতা থাকলেও পরিশোধিত তেল আমদানির মাধ্যমে সেই ঘাটতি পূরণ করা হচ্ছে। ফলে শোধনাগারটি সীমিত পরিসরে চললেও গ্রাহক পর্যায়ে তেল সরবরাহে কোনো বিঘ্ন ঘটার কারণ নেই এবং এ নিয়ে উদ্বিগ্ন হওয়ারও কিছু নেই।

তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, দেশের প্রধান জ্বালানি ডিজেলের চাহিদার মাত্র ১৫ শতাংশ এবং পেট্রোলের ১১ শতাংশ ইআরএল থেকে আসে, যা বিকল্প আমদানির মাধ্যমে অনায়াসেই মেটানো সম্ভব। বর্তমানে এই শোধনাগারের মোট চারটি ইউনিটের মধ্যে দুটি ইউনিটে রক্ষণাবেক্ষণ কাজ চলছে এবং বাকি দুটি ইউনিট চালু রাখা হয়েছে।

ইস্টার্ন রিফাইনারি মূলত সৌদি আরব থেকে অ্যারাবিয়ান লাইট ক্রুড এবং সংযুক্ত আরব আমিরাত থেকে মারবান ক্রুড আমদানি করে পরিশোধন করে থাকে। বছরে প্রায় ১৫ লাখ টন জ্বালানি তেল সরবরাহ করে প্রতিষ্ঠানটি দেশের মোট চাহিদার পাঁচ ভাগের এক ভাগ পূরণ করে। সাধারণত প্রতি মাসে এক থেকে দুটি কার্গো অপরিশোধিত তেল আমদানির মাধ্যমে এর উৎপাদন কার্যক্রম সচল রাখা হয় এবং অবশিষ্ট বিশাল চাহিদা পরিশোধিত তেল আমদানির মাধ্যমে মেটানো হয়। বর্তমান পরিস্থিতিতে শোধনাগারের উৎপাদন সক্ষমতা আংশিক কমিয়ে দিয়ে কৌশলগতভাবে মজুত ও সরবরাহ ব্যবস্থাপনা নিয়ন্ত্রণ করছে সরকার।

তুরস্কের স্কুলে এলোপাতাড়ি গুলিতে শিক্ষক-শিক্ষার্থীসহ নিহত ৯

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল, ২০২৬, ১:২৬ পূর্বাহ্ণ
তুরস্কের স্কুলে এলোপাতাড়ি গুলিতে শিক্ষক-শিক্ষার্থীসহ নিহত ৯

তুরস্কের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলে একটি মাধ্যমিক স্কুলে ১৪ বছর বয়সী এক ছাত্রের গুলিতে আট শিক্ষার্থীসহ অন্তত নয়জন নিহত হয়েছে। আহত হয়েছেন আরও ১৩ জন। বুধবার হামলার ঘটনাটি ঘটে। ব্রিটিশ বার্তা সংস্থা রয়টার্স ও বিবিসি এ খবর জানিয়েছে। খবরে বলা হয়, দেশটিতে দুই দিনের ব্যবধানে এটি দ্বিতীয় বন্দুক হামলার ঘটনা।

তুরস্কের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মোস্তফা সাংবাদিকদের জানান, কাহরামানমারাস প্রদেশে এই হামলায় আট শিক্ষার্থী ও একজন শিক্ষক প্রাণ হারিয়েছেন। আহতদের মধ্যে ছয়জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, “এটি আমাদেরই এক ছাত্রের ব্যক্তিগত হামলা, এর সঙ্গে সন্ত্রাসবাদের কোনো সম্পর্ক নেই।” এর আগে প্রদেশটির গভর্নর জানিয়েছিলেন, হামলার পর বিশৃঙ্খল পরিস্থিতির মধ্যে অভিযুক্ত ছাত্র নিজেও গুলি চালিয়ে আত্মহত্যা করেছে।

গভর্নর বলেন, “অষ্টম শ্রেণির ওই ছাত্র ব্যাগে করে পাঁচটি আগ্নেয়াস্ত্র এবং সাতটি ম্যাগাজিন নিয়ে স্কুলে এসেছিল। আমরা ধারণা করছি, অস্ত্রগুলো তার বাবার, যিনি একজন সাবেক পুলিশ কর্মকর্তা। সে পঞ্চম শ্রেণির দুটি ক্লাসরুমে ঢুকে নির্বিচারে গুলি চালায়।”

তুরস্কে সাধারণত ১০ থেকে ১১ বছর বয়সী শিশুরা পঞ্চম শ্রেণিতে পড়ে। স্কুলে বন্দুক হামলার ঘটনা অত্যন্ত বিরল। এই সপ্তাহের দুটি ঘটনার পর সরকার কোনো বিশেষ ব্যবস্থা নেবে কি না, সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বিস্তারিত কিছু না বলে জানান, প্রয়োজনীয় সব ধরনের সতর্কতা অবলম্বন করা হবে। তুরস্কের গণমাধ্যম এনটিভি জানিয়েছে, অভিযুক্ত ছাত্রের বাবাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করা হয়েছে।

তুরস্কে অস্ত্র আইন বেশ কড়া; কেবল ২১ বছরের বেশি বয়সী লাইসেন্সধারীরাই অস্ত্র রাখতে পারেন। তবে নিরাপত্তাকর্মী ও পুলিশ সদস্যদের ক্ষেত্রে অস্ত্র রাখার বিষয়ে শিথিলতা রয়েছে।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া যাচাই না করা কিছু ভিডিওতে দেখা গেছে, গুলির শব্দ শুনে প্রাণভয়ে স্কুলের দ্বিতীয় তলার জানালা দিয়ে শিক্ষার্থীরা লাফিয়ে পড়ছে। সিসিটিভি ফুটেজে হামলাকারীকে বারান্দা দিয়ে হেঁটে যাওয়ার সময় দুই ছাত্রকে গুলি করতে দেখা যায়।

এর আগে গত মঙ্গলবার তুরস্কের সানলিউরফা প্রদেশে এক সাবেক ছাত্রের গুলিতে শিক্ষার্থী ও শিক্ষকসহ অন্তত ১৬ জন আহত হয়। ওই হামলার পর হামলাকারী নিজেও আত্মহত্যা করেছিল বলে জানিয়েছে রয়টার্স।

অসহ্য গরমে সুস্থ থাকতে কী খাবেন, কী খাবেন না

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল, ২০২৬, ১:২০ পূর্বাহ্ণ
অসহ্য গরমে সুস্থ থাকতে কী খাবেন, কী খাবেন না

গরমে মানুষের নানা সমস্যা দেখা দেয়। এই সমস্যাগুলোর অধিকাংশই খাবারদাবার থেকে শুরু হয় বলে মনে করেন বিশেষজ্ঞরা। তাই তারা এই সময়ে খাবার গ্রহণের ক্ষেত্রে সতর্ক থাকতে বলেন। গরমের সময়ে কিছু খাবার খাওয়া থেকে বিরত থাকা বা কম খাওয়া উচিত। এছাড়া আরও কিছু খাবার রয়েছে যেগুলো খেতে কোনো সমস্যা হবে না। তাই চলুন জেনে নেওয়া যাক গরমে যেসব খাবার খাবেন আর যেসব খাবার খাবার খাবেন না-

যেসব খাবার কম খাওয়া উচিত:

কিছু খাবার আছে, যেগুলো খেলে শরীরের তাপমাত্রা বেড়ে গরম অনুভূত হতে পারে। পুষ্টিবিদরা এমনই কিছু খাবার সম্পর্কে জানিয়েছেন। সেগুলো হচ্ছে-

মশলাজাতীয় খাবার : বাংলাদেশের অধিকাংশ মানুষ মশলাজাতীয় খাবার খেতে পছন্দ করলেও গরমের সময় ‘ভুনা মাছ বা মাংস’ খাওয়া এড়াতে হবে। কারণ এ ধরণের খাবার হজম করতে বেশি সময় লাগে। শরীরে বিপাক প্রক্রিয়া যদি বেশি সময় ধরে চলে, তখন গরম লাগতে শুরু করে।

ডিম : শরীরে প্রোটিনের চাহিদা মেটানোর অন্যতম উপায় হচ্ছে ডিম। কিন্তু গরমের সময় বেশি ডিম খেলে অনেকের সমস্যা হতে পারে। সেক্ষেত্রে যাদের শরীরে কোলেস্টেরলের মাত্রা বেশি, কিংবা উচ্চ রক্তচাপ আছে, তারা চাইলে ডিম এড়িয়ে যেতে পারেন। ডিমের পরিবর্তে প্রোটিনের চাহিদা মেটাতে তারা তাদের খাদ্যতালিকায় নিয়মিত মাছ কিংবা মুরগির মাংস রাখতে পারেন।

আইসক্রিম ও কোমল পানীয় : অনেকে মনে করেন, আইসক্রিম ও ঠাণ্ডা বোতলজাত কোমল পানীয় খেলে গরম কম লাগবে। কিন্তু এগুলো খেলে শরীরে পানিশূন্যতা দেখা দেওয়ার সম্ভাবনা থাকে। সেজন্যই আইসক্রিম কিংবা কোমল পানীয় খাওয়ার পরপর তৃষ্ণার্ত বোধ করে মানুষ।

ফাস্টফুড : ফাস্টফুড নিয়ে বছরের পর বছর ধরে বহু আলোচনা-সমালোচনা চললেও মানুষ বার্গার, ফ্রেঞ্চ ফ্রাই, ফ্রায়েড চিকেন, পিৎজা ইত্যাদি হরহামেশা খেয়ে যাচ্ছেন। কিন্তু গরমের সময়ে তো বটেই, সাধারণ সময়েও এগুলো খাওয়া উচিত নয়। কারণ এসব খাবারে প্রচুর পরিমাণ শর্করা ও চর্বি থাকায় হজম করতে সময় লাগে। ফলে, এগুলো রক্তচাপকে প্রভাবিত করে, প্রদাহ বাড়ায়।

ডুবো তেলে ভাজা খাবার: ডুবো তেলে ভাজা খাবার ও অতিরিক্ত তেলেভাজা খাবার মুখরোচক হলেও তা শরীরের জন্য মোটেও ভালো নয়। এ ধরনের খাবার গরমে এড়িয়ে চলতে হবে। ভাজাপোড়া জাতীয় খাবার শরীরে পানির ঘাটতি তৈরি করে।

চা-কফি : শীতকালে শরীর গরম রাখার জন্য অনেকে চা-কফি পান করেন। কিন্তু যে চা-কফি শীতকালে শরীর গরম রাখতে সাহায্য করে, তা নিশ্চয়ই গরমকালেও একই ভূমিকা পালন করবে। তাই, গরমকালে অতিরিক্ত চা-কফি পান করা উচিত নয়। কারণ চা বা কফির ক্যাফেইন দেহকে পানিশূন্য করে ফেলে এবং শরীরের তাপমাত্রা বাড়িয়ে তোলে।

দুগ্ধজাতীয় খাবার : গরমকালে দুধ জাতীয় খাবার, যেমন মেয়োনেজ বা বিভিন্ন শেক জাতীয় খাওয়ার ক্ষেত্রে সতর্ক থাকতে হবে। কারণ গরমের সময় এ জাতীয় খাবারে ব্যাকটেরিয়া দ্রুত হয়।

স্টেক : অনেকেই রেস্টুরেন্টে গিয়ে স্টেক খেতে পছন্দ করেন। কিন্তু স্টেক যদি সম্পূর্ণরূপে রান্না করা না হয়, তাহলে তার মাঝে ব্যাকটেরিয়া থেকে যেতে পারে। তাই, এক্ষেত্রে সতর্ক হওয়া প্রয়োজন।

তেল-চর্বি জাতীয় খাবার : গরুর মাংস, হাঁসের মাংস, খাসির মাংস কার না পছন্দ? কিন্তু গরমের সময় এগুলো এড়িয়ে চলা উচিত। কারণ এতে প্রচুর পরিমাণে চর্বি থাকে। সেই সঙ্গে সুস্থ থাকার জন্য পোলাও, বিরিয়ানি, তেহারি ইত্যাদি তেলযুক্ত খাবারকেও না বলা উচিত।

অতিরিক্ত চিনি ও লবণ : চিনি ও লবণ, এ দুটি জিনিস এমনিতেই শরীরের জন্য ক্ষতিকর। কিন্তু গরমের সময় সেই ক্ষতির মাত্রাটা আরো বেশি হয়ে দাঁড়ায়। এ সময় অতিরিক্ত চিনি ও লবণ খেলে শরীরে অস্বস্তি হতে পারে। তাই, গরমে প্যাকেট জাতীয় খাবার বা প্রসেসড ফুড খাওয়া একদমই উচিত নয়।

গরমে যেগুলো খাওয়া যেতে পারে:

কম মশলাজাতীয় খাবার : মশলাজাতীয় ভারী খাবার খেতে ভালো লাগলেও গরমের সময় কম মশলাজাতীয় খাবারের ওপর জোর দিতে হবে। কারণ এগুলো সহজে হজমযোগ্য।

শাক-সবজি : বাজারে এখন ঝিঙা, চালকুমড়া, লাউ, চিচিঙ্গা, সজনে ডাঁটা, শাকের ডাঁটা ইত্যাদি পাওয়া যাচ্ছে। এগুলোকে যদি পাতলা ঝোল করে রান্না করে খাওয়া হয়, তাহলে এগুলো একদিকে যেমন পুষ্টির চাহিদা জোগাবে, অপরদিকে শরীরে গরম অনুভব করাবে না।

পাতলা স্যুপ : স্যুপকে অনেকে মজা করে রোগীর খাবার বলে থাকেন। কিন্তু গরমের সময় একদম ‘ক্লিয়ার ভেজিটেবল’ স্যুপ (পাতলা করে সবজি স্যুপ) খেলে তা শরীরের জন্য উপকারী।

নিরাপদ পানি : গরমে নিরাপদ পানি পানের কোনো বিকল্প নেই। কারণ গরমের সময় ঘাম ও প্রস্রাবের সঙ্গে শরীর থেকে সোডিয়াম, পটাশিয়াম বের হয়ে যায়। একজন সুস্থ মানুষের প্রতিদিন তিন থেকে সাড়ে তিন লিটার বা ১২ থেকে ১৩ গ্লাস পানি পান করা উচিত।

ডাবের পানি : শরীরে পানির ঘাটতি পূরণ করতে এবং ইলেকট্রলাইটের ভারসাম্য বজায় রাখতে ডাবের পানি খুব গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। কিন্তু বেশিরভাগ মানুষের পক্ষেই প্রতিদিন ডাব কিনে খাওয়া প্রায় অসম্ভব একটা ব্যাপার। সেক্ষেত্রে তারা বিকল্প হিসেবে স্যালাইন পানি খেতে পারেন।

লেবু পানি : গরমের সময় লেবুর শরবত পান করলে তা শরীরের ক্লান্তি দূর করবে। সেক্ষেত্রে একদম সাধারণ পানিতে লেবুর রস মিশিয়ে পান করা যেতে পারে। তবে যাদের হাইপারটেনশন বা উচ্চ রক্তচাপ নেই, তারা স্বাদের জন্য সামান্য লবণও ব্যবহার করতে পারেন।

ফলমূল : গরমে শরীরের পানির চাহিদা পূরণ করার জন্য ফলমূল খাওয়া উচিত। স্ট্রবেরি, শসা, জাম ইত্যাদি খাওয়া যেতে পারে। তবে বাংলাদেশের বাজারে এই সময়ে তরমুজে ভরপুর থাকে। তাই, গরমের ফল হিসেবে তরমুজ খাওয়া যেতে পারে। কারণ তরমুজে ৬০ থেকে ৭০ শতাংশ পানি থাকে।

কাঁচা আমের শরবত : কাঁচা আমের মাঝে ভিটামিন-সি থাকে। কাঁচা আমের সঙ্গে মরিচ যুক্ত না করে যদি এটিকে শরবত হিসেবে খাওয়া যায়, তাহলে গরম কম অনুভব হতে পারে।

টক দই : পাকস্থলীকে সুস্থ রাখার জন্য প্রতিদিন টকদই খাওয়া যেতে পারে। টক দই খালিও খাওয়া যায়, আবার টক দইকে পানি দিয়ে গুলিয়েও খাওয়া যায়। অথবা, টক দইয়ের সঙ্গে শসাও খাওয়া যেতে পারে।

ডিটক্স ওয়াটার : গরমের সময় ভারী খাবারের পর ডিটক্স খাবার খাওয়া যেতে পারে। ডিটক্স ওয়াটার হলো- পানি, লেবুর রস, শসা, গাজর, পুদিনা ইত্যাদির রসের সমন্বয়ে তৈরি এক ধরনের পানীয়। তবে সবার ক্ষেত্রে যে খাবারটি ভালো হবে তা কিন্তু না। যেমন, অনেকের শসা খেলে সমস্যা হয়।