খুঁজুন
বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ৩ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
লোড হচ্ছে...
নিউজ লোড হচ্ছে...
শিরোনাম:
আরও ৫ কোটি ডলার কিনল বাংলাদেশ ব্যাংকseparatorপদ্মা ব্যারেজ নির্মাণে ব্যয় ৩৪ হাজার কোটি টাকাseparator২০৩৪ সালের মধ্যে ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতির মাইলফলক ছুঁতে চায় বাংলাদেশseparator২৪ ঘণ্টায় হাম ও উপসর্গ নিয়ে আট শিশুর মৃত্যুseparatorশুক্রবার হজ ফ্লাইট উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রীseparatorধেয়ে আসছে ‘বিপজ্জনক গ্রহাণু’, চাঞ্চল্যকর তথ্য দিল নাসাseparatorস্বাধীনতা পুরস্কারপ্রাপ্তদের হাতে পদক তুলে দিলেন প্রধানমন্ত্রীseparatorহাইকোর্টের আদেশ স্থগিত, ১৮ এপ্রিলই হচ্ছে প্রধান শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষাseparatorএবার ইরানকে হরমুজ প্রণালি খুলে দেওয়ার আহ্বান চীনেরseparatorদেশের একমাত্র তেল শোধনাগার চালু আছে, জানাল মন্ত্রণালয়separatorতুরস্কের স্কুলে এলোপাতাড়ি গুলিতে শিক্ষক-শিক্ষার্থীসহ নিহত ৯separatorঅসহ্য গরমে সুস্থ থাকতে কী খাবেন, কী খাবেন নাseparatorআল্লু-দীপিকার সিনেমায় বলিউড বাদশার চমকseparatorচুক্তিবদ্ধ হয়েও অনেক সিনেমা থেকেই বাদ পড়েছি: প্রিয়াঙ্কাseparatorঅ্যারেনায় ৪-৩ গোলে রিয়ালকে হারিয়ে সেমিতে বায়ার্নseparatorগোলশুন্য ড্র করেও সেমিতে আর্সেনালseparatorদুই হাজার কর্মী ছাঁটাই করতে যাচ্ছে বিবিসিseparatorমধ্যপ্রাচ্যে আরও কয়েক হাজার সেনা পাঠাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রseparatorপ্রধানমন্ত্রী স্বাধীনতা পদক হস্তান্তর করবেন আজseparatorনিষেধাজ্ঞা অমান্য করে যুক্তরাজ্য থেকে ইসরায়েলে পাঠানো অস্ত্র জব্দ করলো বেলজিয়ামseparatorহরমুজে জাহাজ চলাচল নিয়ে নতুন প্রস্তাব ইরানেরseparatorনিউইয়র্ক মহানগর (উত্তর) বিএনপি’র উদ্যোগে স্বাধীনতা দিবস পালিতseparatorক্ষেপণাস্ত্র ছুড়ল রাশিয়া, হতাহতের সংখ্যা অন্তত ৩২separatorরুবেল হোসেনের আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে অবসরের ঘোষণাseparatorট্রাম্পকে ক্ষমতা থেকে সরাতে ডেমোক্রেটদের উদ্যোগseparator৬ লাখ ফলোয়ারের পেজ বন্ধে কাদেরকে দুষলেন ফারুক আহমেদseparator‘রামায়ণ’ মুক্তির আগেই চমক দিলেন প্রযোজকseparator‘টাইম’র ১০০ প্রভাবশালী ব্যক্তিত্বের তালিকায় তারেক রহমানseparatorজনগণকে ‘ই-হেলথ কার্ড’ দেওয়ার উদ্যোগ, শুরুতে ৫ জেলা : প্রধানমন্ত্রীseparatorফাঁদে ফেলে দুই মাসে ১৩ ধর্ষণ, অভিযুক্ত রাব্বি গ্রেপ্তারseparatorদুই লাখ টন তেল নিয়ে দুটি জাহাজ বন্দরে নোঙর করেছে : সংসদে চিফ হুইপseparatorসব ট্রেনে বসছে স্টারলিংক ইন্টারনেট, বাস-ফেরিতেও চালুর পরিকল্পনাseparatorএক মাসে হাম ও হাম সন্দেহে ১৯৮ শিশুর মৃত্যুseparatorইরানকে অস্ত্র না দিতে শি জিন পিংকে ট্রাম্পের চিঠিseparatorইরানের সঙ্গে যুদ্ধবিরতির মেয়াদ বাড়ানোর পরিকল্পনা নেই: ট্রাম্পseparatorউন্নয়ন অংশীদারদের কাছে ২০০ কোটি ডলার সহায়তা চাইলেন প্রধানমন্ত্রীseparatorযুক্তরাষ্ট্র-ইরানের আলোচনা নিয়ে যা বললেন জাতিসংঘের মহাসচিবseparatorআগামী ২ মাসেও জ্বালানির সংকট হবে না : যুগ্মসচিবseparatorনানক-তাপসসহ ২৮ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের শুনানি আজseparatorজ্বালানি সাশ্রয়ে সরকারের নতুন নির্দেশনা মন্ত্রিপরিষদ বিভাগেরseparatorমালদ্বীপে ১০ তলা ভবনের ছাদ থেকে পড়ে প্রাণ গেল প্রবাসী হানজালারseparatorভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড বিজেপির একটি শাখা: মোস্তাফিজ ইস্যুতে কঠোর সমালোচনা উইজডেনেরseparatorফেসবুকে রিলস-পোস্ট শেয়ার করে মাসে ৩০০০ ডলার আয়separatorশিশু যৌন নিপীড়ন মামলায় মেটাকে ৩৭৫ মিলিয়ন ডলার জরিমানাseparator‘ডিম-মাছ খেলেই মনে হচ্ছে প্রাণী হত্যা করছি’separatorরণবীর-দীপিকার বিচ্ছেদের গুঞ্জন, মুখ খুলছেন না কেউseparatorজিতেও বিদায় বার্সেলোনার, সেমিফাইনালে অ্যাতলেতিকোseparator৫ লাখ অভিবাসীকে বৈধতা দিচ্ছে স্পেনseparatorভয়াবহ মন্দার ঝুঁকিতে বিশ্ব অর্থনীতি : আইএমএফseparatorদ্বিগুণ হচ্ছে শিক্ষকদের উৎসব ভাতাseparatorদেম্বেলের জোড়া গোল, লিভারপুলকে হারিয়ে সেমিতে পিএসজিseparatorআন্দামান সাগরে নৌকাডুবি, ২৫০ বাংলাদেশি-রোহিঙ্গা নিখোঁজseparatorসারা দেশে প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষা শুরু আজseparatorঢাকায় পহেলা বৈশাখের উদযাপন ছিল সত্যিই অসাধারণ : রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেনseparatorকানাডায় ফেডারেল এমপি হলেন বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত ডলি বেগমseparatorইন্টারনেট সেবার বাইরে দেশের ৪১.৬% মানুষseparator২ কোটি ৭৫ লাখ কৃষককে কার্ড দেওয়া হবে : প্রধানমন্ত্রীseparatorমধ্যপ্রাচ্যে শান্তি নিশ্চিত করতে ৪ দফা প্রস্তাব করলো চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংseparatorসিনারের দাপট, আলকারাজকে হারিয়ে আবারও বিশ্বসেরাseparatorওয়ানডে ও টি-টোয়েন্টি খেলতে ঢাকায় নিউজিল্যান্ড দলseparatorটাঙ্গাইলের পথে প্রধানমন্ত্রী, উদ্বোধন করবেন ‘কৃষক কার্ড’separatorদ্বিতীয় দফায় বৈঠকে বসতে যাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র-ইরানseparatorবর্ণিল আয়োজনে রমনা বটমূলে বাংলা নববর্ষ ১৪৩৩ বরণseparatorবাংলা বছরের শেষদিন— চৈত্র সংক্রান্তি আজseparatorদেশে হাম ও উপসর্গে প্রাণ গেল আরও ৭ শিশুরseparatorপ্রধানমন্ত্রীর নতুন বাসভবনে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে থাকছে টানেল ও বাংকারseparatorইরানে আবার হামলা চালানোর কথা ভাবছেন ট্রাম্পseparatorবিশ্বকাপের আগে আর্জেন্টিনার কপালে দুশ্চিন্তার ভাঁজseparatorমালয়েশিয়া থেকে ২৮ বাংলাদেশিসহ ১৭৫ অভিবাসী ফেরতseparatorআগামী সপ্তাহে চিকিৎসা ও বাণিজ্যিক ভিসা চালু করছে ভারতseparatorঅস্ট্রেলিয়ার ইতিহাসে প্রথম নারী সেনাপ্রধান সুসান কোয়েলseparatorনববর্ষ পালনে নিরাপত্তা ঝুঁকি নেই, তবুও প্রস্তুত ‌‘স্পেশাল কমান্ডো ফোর্স’separatorপ্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে টেলিনর সিইও’র সাক্ষাৎseparatorহরমুজ প্রণালী দিয়ে বাংলাদেশি জাহাজ চলাচলের সুবিধা দিতে ইরা‌নকে অনুরোধseparatorহজ ভিসা নিয়ে সৌদি আরবের নতুন সিদ্ধান্তseparatorদীর্ঘ বিরতির পর মঞ্চে ফিরছেন জাস্টিন বিবারseparatorডেভেলপার টুলে নিরাপত্তা ত্রুটি পেলেও নিরাপদ চ্যাটজিপিটিseparatorহোয়াটসঅ্যাপের বিকল্প ‘এক্সচ্যাট’ আনলেন ইলন মাস্কseparatorবোল্টের চেয়েও দ্রুততম, ২০০ মিটারে রেকর্ড গড়লেন ১৮ বছরের এক অস্ট্রেলিয়ানseparatorবিশ্ব বাজারে আবার বাড়ল জ্বালানি তেলের দামseparatorইরানের বন্দরগুলোতে মার্কিন অবরোধ কার্যকর হচ্ছে আজ থেকেseparatorনিউইয়র্কে আব্দুল আলীম স্মৃতি পরিষদ গঠিতseparatorনিউইয়র্ক থেকে শীঘ্রই কমিউনিটিতে আসছে ‘সিটিভি’separatorনিউইয়র্কের জ্যামাইকায় মাহিন কালেকশনে চলছে বৈশাখী মেলাseparatorফার্নেস অয়েলের দাম বাড়ল লিটার প্রতি ২৪ টাকা ৫৯ পয়সাseparatorডোপ টেস্টে পজিটিভ, নিষিদ্ধ ভারোত্তোলক মাবিয়াseparatorমাঠে নেইমারের ছোঁয়া, জয়ে ফিরল সান্তোসseparatorহাইতিতে ঐতিহাসিক দুর্গে পদদলিত হয়ে ৩০ জনের প্রাণহানিseparatorমানহানির মামলা করলেন হানসিকাseparatorচৈত্রসংক্রান্তি ও বাংলা নববর্ষে শিল্পকলায় ৫ দিনব্যাপী কর্মসূচিseparatorহত্যাচেষ্টা মামলায় সাবেক স্পিকার শিরীন চৌধুরীর জামিনseparatorকিংবদন্তি গায়িকা আশা ভোঁসলে আর নেইseparatorসশস্ত্র বাহিনী স্বাধীন রাষ্ট্রের শক্তি, মর্যাদার প্রতীক: প্রধানমন্ত্রীseparatorরোনালদোর গোলে শিরোপার আরও কাছে আল-নাসরseparatorহরমুজে যুদ্ধজাহাজ মোতায়েনের দাবি যুক্তরাষ্ট্রেরseparatorআজ থেকে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে অনলাইন ক্লাস শুরুseparatorআজ ৪ সিটিতে দেয়া হচ্ছে হামের টিকাseparatorফুটবল বিশ্বকাপের টিকিটে আরও দামি ক্যাটাগরি যোগseparatorবৈসাবি উৎসব উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রীর শুভেচ্ছা ও অভিনন্দনseparatorইরান-যুক্তরাষ্ট্র আলোচনা ব্যর্থ, কোনো চুক্তি ছাড়াই ফিরছেন জেডি ভ্যান্স

অসহ্য গরমে সুস্থ থাকতে কী খাবেন, কী খাবেন না

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল, ২০২৬, ১:২০ পূর্বাহ্ণ
অসহ্য গরমে সুস্থ থাকতে কী খাবেন, কী খাবেন না

গরমে মানুষের নানা সমস্যা দেখা দেয়। এই সমস্যাগুলোর অধিকাংশই খাবারদাবার থেকে শুরু হয় বলে মনে করেন বিশেষজ্ঞরা। তাই তারা এই সময়ে খাবার গ্রহণের ক্ষেত্রে সতর্ক থাকতে বলেন। গরমের সময়ে কিছু খাবার খাওয়া থেকে বিরত থাকা বা কম খাওয়া উচিত। এছাড়া আরও কিছু খাবার রয়েছে যেগুলো খেতে কোনো সমস্যা হবে না। তাই চলুন জেনে নেওয়া যাক গরমে যেসব খাবার খাবেন আর যেসব খাবার খাবার খাবেন না-

যেসব খাবার কম খাওয়া উচিত:

কিছু খাবার আছে, যেগুলো খেলে শরীরের তাপমাত্রা বেড়ে গরম অনুভূত হতে পারে। পুষ্টিবিদরা এমনই কিছু খাবার সম্পর্কে জানিয়েছেন। সেগুলো হচ্ছে-

মশলাজাতীয় খাবার : বাংলাদেশের অধিকাংশ মানুষ মশলাজাতীয় খাবার খেতে পছন্দ করলেও গরমের সময় ‘ভুনা মাছ বা মাংস’ খাওয়া এড়াতে হবে। কারণ এ ধরণের খাবার হজম করতে বেশি সময় লাগে। শরীরে বিপাক প্রক্রিয়া যদি বেশি সময় ধরে চলে, তখন গরম লাগতে শুরু করে।

ডিম : শরীরে প্রোটিনের চাহিদা মেটানোর অন্যতম উপায় হচ্ছে ডিম। কিন্তু গরমের সময় বেশি ডিম খেলে অনেকের সমস্যা হতে পারে। সেক্ষেত্রে যাদের শরীরে কোলেস্টেরলের মাত্রা বেশি, কিংবা উচ্চ রক্তচাপ আছে, তারা চাইলে ডিম এড়িয়ে যেতে পারেন। ডিমের পরিবর্তে প্রোটিনের চাহিদা মেটাতে তারা তাদের খাদ্যতালিকায় নিয়মিত মাছ কিংবা মুরগির মাংস রাখতে পারেন।

আইসক্রিম ও কোমল পানীয় : অনেকে মনে করেন, আইসক্রিম ও ঠাণ্ডা বোতলজাত কোমল পানীয় খেলে গরম কম লাগবে। কিন্তু এগুলো খেলে শরীরে পানিশূন্যতা দেখা দেওয়ার সম্ভাবনা থাকে। সেজন্যই আইসক্রিম কিংবা কোমল পানীয় খাওয়ার পরপর তৃষ্ণার্ত বোধ করে মানুষ।

ফাস্টফুড : ফাস্টফুড নিয়ে বছরের পর বছর ধরে বহু আলোচনা-সমালোচনা চললেও মানুষ বার্গার, ফ্রেঞ্চ ফ্রাই, ফ্রায়েড চিকেন, পিৎজা ইত্যাদি হরহামেশা খেয়ে যাচ্ছেন। কিন্তু গরমের সময়ে তো বটেই, সাধারণ সময়েও এগুলো খাওয়া উচিত নয়। কারণ এসব খাবারে প্রচুর পরিমাণ শর্করা ও চর্বি থাকায় হজম করতে সময় লাগে। ফলে, এগুলো রক্তচাপকে প্রভাবিত করে, প্রদাহ বাড়ায়।

ডুবো তেলে ভাজা খাবার: ডুবো তেলে ভাজা খাবার ও অতিরিক্ত তেলেভাজা খাবার মুখরোচক হলেও তা শরীরের জন্য মোটেও ভালো নয়। এ ধরনের খাবার গরমে এড়িয়ে চলতে হবে। ভাজাপোড়া জাতীয় খাবার শরীরে পানির ঘাটতি তৈরি করে।

চা-কফি : শীতকালে শরীর গরম রাখার জন্য অনেকে চা-কফি পান করেন। কিন্তু যে চা-কফি শীতকালে শরীর গরম রাখতে সাহায্য করে, তা নিশ্চয়ই গরমকালেও একই ভূমিকা পালন করবে। তাই, গরমকালে অতিরিক্ত চা-কফি পান করা উচিত নয়। কারণ চা বা কফির ক্যাফেইন দেহকে পানিশূন্য করে ফেলে এবং শরীরের তাপমাত্রা বাড়িয়ে তোলে।

দুগ্ধজাতীয় খাবার : গরমকালে দুধ জাতীয় খাবার, যেমন মেয়োনেজ বা বিভিন্ন শেক জাতীয় খাওয়ার ক্ষেত্রে সতর্ক থাকতে হবে। কারণ গরমের সময় এ জাতীয় খাবারে ব্যাকটেরিয়া দ্রুত হয়।

স্টেক : অনেকেই রেস্টুরেন্টে গিয়ে স্টেক খেতে পছন্দ করেন। কিন্তু স্টেক যদি সম্পূর্ণরূপে রান্না করা না হয়, তাহলে তার মাঝে ব্যাকটেরিয়া থেকে যেতে পারে। তাই, এক্ষেত্রে সতর্ক হওয়া প্রয়োজন।

তেল-চর্বি জাতীয় খাবার : গরুর মাংস, হাঁসের মাংস, খাসির মাংস কার না পছন্দ? কিন্তু গরমের সময় এগুলো এড়িয়ে চলা উচিত। কারণ এতে প্রচুর পরিমাণে চর্বি থাকে। সেই সঙ্গে সুস্থ থাকার জন্য পোলাও, বিরিয়ানি, তেহারি ইত্যাদি তেলযুক্ত খাবারকেও না বলা উচিত।

অতিরিক্ত চিনি ও লবণ : চিনি ও লবণ, এ দুটি জিনিস এমনিতেই শরীরের জন্য ক্ষতিকর। কিন্তু গরমের সময় সেই ক্ষতির মাত্রাটা আরো বেশি হয়ে দাঁড়ায়। এ সময় অতিরিক্ত চিনি ও লবণ খেলে শরীরে অস্বস্তি হতে পারে। তাই, গরমে প্যাকেট জাতীয় খাবার বা প্রসেসড ফুড খাওয়া একদমই উচিত নয়।

গরমে যেগুলো খাওয়া যেতে পারে:

কম মশলাজাতীয় খাবার : মশলাজাতীয় ভারী খাবার খেতে ভালো লাগলেও গরমের সময় কম মশলাজাতীয় খাবারের ওপর জোর দিতে হবে। কারণ এগুলো সহজে হজমযোগ্য।

শাক-সবজি : বাজারে এখন ঝিঙা, চালকুমড়া, লাউ, চিচিঙ্গা, সজনে ডাঁটা, শাকের ডাঁটা ইত্যাদি পাওয়া যাচ্ছে। এগুলোকে যদি পাতলা ঝোল করে রান্না করে খাওয়া হয়, তাহলে এগুলো একদিকে যেমন পুষ্টির চাহিদা জোগাবে, অপরদিকে শরীরে গরম অনুভব করাবে না।

পাতলা স্যুপ : স্যুপকে অনেকে মজা করে রোগীর খাবার বলে থাকেন। কিন্তু গরমের সময় একদম ‘ক্লিয়ার ভেজিটেবল’ স্যুপ (পাতলা করে সবজি স্যুপ) খেলে তা শরীরের জন্য উপকারী।

নিরাপদ পানি : গরমে নিরাপদ পানি পানের কোনো বিকল্প নেই। কারণ গরমের সময় ঘাম ও প্রস্রাবের সঙ্গে শরীর থেকে সোডিয়াম, পটাশিয়াম বের হয়ে যায়। একজন সুস্থ মানুষের প্রতিদিন তিন থেকে সাড়ে তিন লিটার বা ১২ থেকে ১৩ গ্লাস পানি পান করা উচিত।

ডাবের পানি : শরীরে পানির ঘাটতি পূরণ করতে এবং ইলেকট্রলাইটের ভারসাম্য বজায় রাখতে ডাবের পানি খুব গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। কিন্তু বেশিরভাগ মানুষের পক্ষেই প্রতিদিন ডাব কিনে খাওয়া প্রায় অসম্ভব একটা ব্যাপার। সেক্ষেত্রে তারা বিকল্প হিসেবে স্যালাইন পানি খেতে পারেন।

লেবু পানি : গরমের সময় লেবুর শরবত পান করলে তা শরীরের ক্লান্তি দূর করবে। সেক্ষেত্রে একদম সাধারণ পানিতে লেবুর রস মিশিয়ে পান করা যেতে পারে। তবে যাদের হাইপারটেনশন বা উচ্চ রক্তচাপ নেই, তারা স্বাদের জন্য সামান্য লবণও ব্যবহার করতে পারেন।

ফলমূল : গরমে শরীরের পানির চাহিদা পূরণ করার জন্য ফলমূল খাওয়া উচিত। স্ট্রবেরি, শসা, জাম ইত্যাদি খাওয়া যেতে পারে। তবে বাংলাদেশের বাজারে এই সময়ে তরমুজে ভরপুর থাকে। তাই, গরমের ফল হিসেবে তরমুজ খাওয়া যেতে পারে। কারণ তরমুজে ৬০ থেকে ৭০ শতাংশ পানি থাকে।

কাঁচা আমের শরবত : কাঁচা আমের মাঝে ভিটামিন-সি থাকে। কাঁচা আমের সঙ্গে মরিচ যুক্ত না করে যদি এটিকে শরবত হিসেবে খাওয়া যায়, তাহলে গরম কম অনুভব হতে পারে।

টক দই : পাকস্থলীকে সুস্থ রাখার জন্য প্রতিদিন টকদই খাওয়া যেতে পারে। টক দই খালিও খাওয়া যায়, আবার টক দইকে পানি দিয়ে গুলিয়েও খাওয়া যায়। অথবা, টক দইয়ের সঙ্গে শসাও খাওয়া যেতে পারে।

ডিটক্স ওয়াটার : গরমের সময় ভারী খাবারের পর ডিটক্স খাবার খাওয়া যেতে পারে। ডিটক্স ওয়াটার হলো- পানি, লেবুর রস, শসা, গাজর, পুদিনা ইত্যাদির রসের সমন্বয়ে তৈরি এক ধরনের পানীয়। তবে সবার ক্ষেত্রে যে খাবারটি ভালো হবে তা কিন্তু না। যেমন, অনেকের শসা খেলে সমস্যা হয়।

বাজার স্থিতিশীল রাখতে

আরও ৫ কোটি ডলার কিনল বাংলাদেশ ব্যাংক

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল, ২০২৬, ৮:৫০ পূর্বাহ্ণ
আরও ৫ কোটি ডলার কিনল বাংলাদেশ ব্যাংক

বিদেশি মুদ্রার ‘যথেষ্ট’ মজুদ আছে দাবি করার এক সপ্তাহের মাথায় দুই দিনে বাজার থেকে ১২ কোটি ডলার কিনল বাংলাদেশ ব্যাংক। বৃহস্পতিবার প্রতি ডলার ১২২ টাকা ৭৫ পয়সা দরে চার ব্যাংক থেকে ৫ কোটি ডলার কিনেছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। আগের দিন শুধু ইসলামী ব্যাংক থেকে একই দরে ৭ কোটি ডলার কেনে।

তাতে প্রতি ডলারের বিপরীতে স্থানীয় মুদ্রা টাকার অবমূল্যায়ন হয়েছে ৪৫ পয়সা। গত দেড় মাসের মধ্যে ডলারের বিপরীতে এই দর হারালো টাকা। অথচ এক সপ্তাহ আগে গত ৮ এপ্রিল কেন্দ্রীয় ব্যাংক এক বিবৃতিতে বলেছিল, আমদানি ও বৈদেশিক পরিশোধ পরিস্থিতি ‘স্বাভাবিক’। আমদানি ব্যয় ও বৈদেশিক ঋণ পরিশোধ নিয়মিত ও পরিকল্পিত ধারায় চলছে।

মার্চ মাসে আকুর বিল বাবদ ১.৩৭বিলিয়ন ডলার পরিশোধ করা হয়েছে। সাম্প্রতিক সময়ে প্রায় ১৮০ মিলিয়ন ডলার সমপরিমাণ সরকারি ঋণ পরিশোধ সম্পন্ন হয়েছে। তারপরও দেশে ৬ এপ্রিল বিদেশি মুদ্রার রিজার্ভে ছিল প্রায় ৩৪.৩৫ বিলিয়ন ডলার। এখনো তা ৩০ বিলিয়ন ডলারের ওপরে রয়েছে।

ওই বিবৃতিতে দাবি করা হয়, “ডলার বাজারে মূল্যমানে কোনো চাপ নেই এবং ডলারের মূল্যমান স্বাভাবিক বাজার ব্যবস্থার মাধ্যমেই রক্ষিত হচ্ছে। সার্বিকভাবে বৈদেশিক মুদ্রার সরবরাহ ও চাহিদা বর্তমানে ভারসাম্যপূর্ণ রয়েছে। রেমিটেন্স প্রবাহ শক্তিশালী, বাজারে আস্থা ও শৃঙ্খলা বিদ্যমান থাকার ফলে বর্তমান পরিস্থিতিতে টাকার বিনিময় হারে অবমূল্যায়নের কোনো চাপ নেই এবং বৈদেশিক মুদ্রা বাজার স্থিতিশীল রয়েছে।”

কিন্তু বাংলাদেশ ব্যাংক এখন ডলার কিনতে শুরু করায় দর হারাচ্ছে টাকা। জানতে চাইলে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের মুখপাত্র ও নির্বাহী পরিচালক আরিফ হোসেন খান বলেন, বৃহস্পতিবার চারটি বাণিজ্যিক ব্যাংক থেকে ১২২ দশমিক ৭৫ টাকা কাট অফ রেটে ৫ কোটি ডলার কিনেছে বাংলাদেশ ব্যাংক।

চলতি মাসে মোট ১২ কোটি ডলার কেনা হয়েছে। আর চলতি অর্থবছরে মোট ৫ দশমিক ৬১ বিলিয়ন ডলার কিনেছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। আন্তঃব্যাংক লেনদেনে গত বুধবার ডলার কেনাবেচা হয় সর্বোচ্চ ১২২ টাকা ৭৮ পয়সা দরে। যার সর্বোচ্চ রেফারেন্স রেট ছিল ১২২ টাকা ৮৮ পয়সা। বৃহস্পতিবার প্রতি ডলারের রেফারেন্স রেট ১২২ টাকা ৮৪ পয়সা।

দেড় মাস আগে গত ২ মার্চ প্রতি ডলার ১২২ টাকা ৩০ পয়সা দরে কিনেছিল কেন্দ্রীয় ব্যাংক। তখন ব্যাংকগুলোতে ডলারের সরবরাহ বেড়ে যাওয়ায় টাকা শক্তিশালী হতে শুরু করলে বিনিময় হার ধরে রাখতে কেন্দ্রীয় ব্যাংক ডলার কিনে নেয়। গভর্নর মোস্তাকুরের মেয়াদে সেদিনই প্রথম (অর্থাৎ ২ মার্চ) বাজার থেকে আড়াই কোটি ডলার কেনা হয় ১২২ টাকা ৩০ পয়সা কাটঅফ রেটে।

গত সপ্তাহে বিনিময় হার স্থিতিশীল রাখতে ডলার বিক্রির সিদ্ধান্ত নিয়েছিল বাংলাদেশ ব্যাংক। কারণ হিসেব বলা হয়েছিল, ব্যাংকগুলোর কাছে গত মার্চের তুলনায় দায় বাদ দিয়ে বৈদেশিক মুদ্রার নিট পরিমাণ দ্বিগুণ ছিল সে সময়ে। এর মধ্যেই ফের ডলার কেনা শুরু করল বাংলাদেশ ব্যাংক। গত বুধবার দিন শেষে রিজার্ভ দাড়িয়েছে বিপিএম৬ পদ্ধতিতে ৩০ দশমিক ২০ বিলিয়ন ডলারে; আর গ্রস হিসাবে ৩৪ দশমিক ৮৭ বিলিয়ন ডলার।

২০৩৩ সালের মধ্যে বাস্তবায়নের লক্ষ্য

পদ্মা ব্যারেজ নির্মাণে ব্যয় ৩৪ হাজার কোটি টাকা

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল, ২০২৬, ৮:৪০ পূর্বাহ্ণ
পদ্মা ব্যারেজ নির্মাণে ব্যয় ৩৪ হাজার কোটি টাকা

পাবলিক-প্রাইভেট পার্টনারশিপ (পিপিপি) পদ্ধতিতে পদ্মা নদীতে বিশাল এক ব্যারেজ নির্মাণের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। এই মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নে সম্ভাব্য ব্যয় ধরা হয়েছে ৩৪ হাজার ৪৯৭ কোটি ২৫ লাখ টাকা। প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চল ও উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের কৃষি, মৎস্য ও পরিবেশে বৈপ্লবিক পরিবর্তন আসবে বলে আশা করা হচ্ছে।
সোমবার (৬ এপ্রিল) জাতীয় সংসদ অধিবেশনে জরুরি জনগুরুত্বপূর্ণ মনোযোগ আকর্ষণীয় নোটিশের জবাবে পানিসম্পদ মন্ত্রী শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানী এ তথ্য জানান।

ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামালের সভাপতিত্বে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনের নবম দিনে এ সংক্রান্ত নোটিশটি উত্থাপন করেন পাবনা-৫ আসনের সংসদ সদস্য শামছুর রহমান শিমুল বিশ্বাস। সংসদে পানিসম্পদ মন্ত্রী বলেন, পদ্মা ব্যারেজ প্রকল্পের মাধ্যমে দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চল ও উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের ১৯টি জেলার ১২০টি উপজেলা সরাসরি উপকৃত হবে।

এছাড়া সমীক্ষা অনুযায়ী আরও ৫টি জেলা পরোক্ষভাবে এর সুবিধা লাভ করবে। এই বিশাল কর্মযজ্ঞকে সরকারের পক্ষ থেকে একটি ‘মাস্টারমাইন্ড প্রকল্প’ হিসেবে অভিহিত করা হচ্ছে। মন্ত্রী আরও জানান, দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের মানুষের জীবন-জীবিকা, কৃষি ও মৎস্য সম্পদের সুরক্ষা এবং পরিবেশগত ভারসাম্য বজায় রাখতে এই ব্যারেজ হবে অন্যতম প্রধান ভিত্তি।

বাস্তবায়নকাল ২০২৬ থেকে ২০৩৩ প্রকল্পের প্রেক্ষাপট তুলে ধরে শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানী বলেন, পদ্মা নদীতে ব্যারেজ নির্মাণের জন্য ২০০৪ সালে প্রথম সমীক্ষা শুরু হয়েছিল, যা শেষ হয় ২০১৩ সালে। সেই সমীক্ষায় ব্যারেজ নির্মাণের জোরালো সুপারিশ করা হয়। বর্তমান সরকারের নির্বাচনি ইশতেহারেও এই প্রকল্পকে অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে। এরই ধারাবাহিকতায় পানিসম্পদ মন্ত্রণালয় পিপিপি পদ্ধতিতে প্রকল্পটি অনুমোদনের জন্য পরিকল্পনা কমিশনে পাঠিয়েছে। ২০২৬ সালে শুরু হয়ে ২০৩৩ সালের মধ্যে প্রকল্পটি বাস্তবায়নের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।

প্রকল্পের সুফলের কথা উল্লেখ করে মন্ত্রী জানান, পদ্মা ব্যারেজ বাস্তবায়িত হলে প্রায় ২৮ দশমিক ৮০ লাখ হেক্টর জমিতে উন্নত সেচ সুবিধা নিশ্চিত হবে। শুধু তাই নয়, এই প্রকল্প থেকে ১১৩ মেগাওয়াট জলবিদ্যুৎ উৎপাদন করা সম্ভব হবে।

বিশাল এই প্রকল্পের মাধ্যমে কর্মসংস্থানের বড় সুযোগ তৈরি হবে বলে জানিয়েছেন পানিসম্পদ মন্ত্রী। তিনি বলেন, প্রকল্পটি চালু হলে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে প্রায় ৯ লাখ ২৭ হাজার মানুষের নতুন কর্মসংস্থান হবে, যা দেশের অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। সরকারের এই মেগা প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে দেশের নদীবহুল অঞ্চলের মানুষের দীর্ঘদিনের দাবি পূরণ হবে এবং মরুকরণ প্রক্রিয়া রোধ করে পরিবেশ রক্ষা করা সম্ভব হবে বলে অধিবেশনে আশা প্রকাশ করা হয়।

২০৩৪ সালের মধ্যে ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতির মাইলফলক ছুঁতে চায় বাংলাদেশ

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল, ২০২৬, ৮:৩৩ পূর্বাহ্ণ
২০৩৪ সালের মধ্যে ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতির মাইলফলক ছুঁতে চায় বাংলাদেশ

আগামী ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে বেশ কিছু চমক রাখতে চায় বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন নতুন সরকার। মূলত দুর্নীতি কমিয়ে অর্থনীতিতে আস্থা ফেরানো মূল লক্ষ্য আসছে বাজেটে। কর আদায়ে আসবে একাধিক নতুন কৌশল। সব নাগরিককে আনা হবে ব্যাংক অ্যাকাউন্টের আওতায়। প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনা উপদেষ্টা ড. রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর জানান, ২০৩৪ সালের মধ্যে ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতি হওয়ার চেষ্টা চলছে জোরেশোরে।

চলতি বছরের গত ফেব্রুয়ারিতে দায়িত্ব নেওয়ার পর নতুন বাজেট প্রণয়নে তিন মাস সময় পেয়েছে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সরকার। এর আগে থেকেই অর্থনীতিতে বিশাল সব সংকট। লক্ষ্যের ধারে কাছেও নেই রাজস্ব আদায়। মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের কারণে জ্বালানি ব্যয় আর বিদ্যুতে ভর্তুকি নিয়ে বড় মাথাব্যথা। এমনকি কমছে না নিত্যপণ্যের দাম। এ অবস্থায় নতুন বাজেট আকারে ছোট হবে, নানা মহলে এমন আলোচনা ছিল, কিন্তু হচ্ছে তার উল্টো।

আগের চেয়ে ১৪ শতাংশ বাড়িয়ে সংসদে ৯ লাখ কোটি টাকার বাজেট পেশ করতে পারে নতুন সরকার। যার সাড়ে ৬ লাখ কোটি আদায় করতে হবে রাজস্ব বিভাগকে। জিডিপি প্রবৃদ্ধির লক্ষ্য ৬ দশমিক ৫ শতাংশ, মূল্যস্ফীতি ৭ শতাংশে নামিয়ে আনা হবে। অর্থের সংকট থাকলেও উন্নয়ন প্রকল্পের জন্য বরাদ্দ প্রায় ৩ লাখ কোটি টাকা। বাজেটের ৬৭ ভাগ ব্যয় হতে পারে পরিচালন খাতে।

প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনা উপদেষ্টা বলেন, প্রথম কাজ হচ্ছে অর্থনীতির চাকা সচল রাখা। একইসঙ্গে যাতে দারিদ্র্য না বাড়ে সেজন্য সামাজিক সুরক্ষা ব্যবস্থা করা। তারপর অর্থনীতির গতি বৃদ্ধি করা। আমরা অতীতে বিএনপি সরকারের সময় দেখেছি, ২ শতাংশীয় পয়েন্ট আকারে প্রবৃদ্ধি হয়েছে। যেটা অন্য সরকারের সময় হয়নি। সেজন্যই আমরা বলছি, ২০৩৪ সালের মধ্যে ট্রিলিয়ন ডলার অর্থনীতি সম্ভব।

নতুন রাজস্ব লক্ষ্যে প্রভাব ফেলছে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) শর্তে। সেই ধারাবাহিকতায় শূন্যের কোঠায় নেমে আসবে কর অব্যাহতি আর প্রণোদনা। সারচার্জের বদলে আরোপ হতে পারে সম্পদ কর। আয়কর রিটার্ন যাচাই হবে বাড়ির মালিকদের। ভ্যাটের আওতায় আসবে এসএমই খাত। অনেক লেনদেনে বাধ্যতামূলক হবে ব্যাংক অ্যাকাউন্টের ব্যবহার।

প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনা উপদেষ্টা আরও বলেন, ‘ওয়ান সিটিজেন, ওয়ান কার্ড’ ও ‘ওয়ান ডিজিটাল আউটলেট’ চালুর দিকে এগোচ্ছি আমরা। এ লক্ষ্যেই নেওয়া হচ্ছে নানা পরিকল্পনা। প্রথম ধাপে দেশের প্রতিটি মানুষের ব্যাংক হিসাব নিশ্চিত করা হবে। এরপর সবাই কিউআর কোডের মাধ্যমে লেনদেন করবে। এতে কর ফাঁকি, কর পরিহার বা জালিয়াতির সুযোগ অনেকটাই কমে যাবে।